ঢাকা মঙ্গলবার, ২১ মে ২০১৯, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬
৩১ °সে


খুলনায় যথাযথ মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপন

খুলনায় যথাযথ মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপন
জেলা স্টেডিয়ামে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়া সালাম গ্রহণ করেন। ছবি: ইত্তেফাক

খুলনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। রবিবার প্রত্যুষে মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইনে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্যদিয়ে দিবসের শুভসূচনা করা হয়। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে নগরীর গল্লামারী শহীদ স্মৃতিসৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণ এবং সরকারি, বেসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি ভবন ও প্রতিষ্ঠানসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

এদিন সকাল সাড়ে ৮টায় জেলা স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়া। পরে সেখানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন বাহিনী, প্রতিষ্ঠানের বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান ও শরীরচর্চা প্রদর্শনী হয়। প্রদর্শনীতে বিভাগীয় কমিশনার প্রধান অতিথি হিসাবে সালাম গ্রহণ করেন।

খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি মো. দিদার আহম্মদ, পুলিশ কমিশনার মো. হুমায়ুন কবির এবং পুলিশ সুপার এসএম শফিউল্লাহ বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন।

বেলা সাড়ে ১১টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সন্তানদের সংবর্ধনা দেয়া হয়। এ সময় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার, বীর মুক্তিযোদ্ধারা, প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবার ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।

আরো পড়ুন: রাজশাহীতে বিজয় দিবসে অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র বিনির্মাণের অঙ্গীকার

এছাড়া হাসপাতাল, জেলখানা, এতিমখানা, শিশুসদন ও ভবঘুরে প্রতিষ্ঠানসমূহে দিবসটি উপলক্ষে বিশেষ খাবার পরিবেশন করা হয়। জাতির শান্তি ও অগ্রগতি কামনা করে বাদ জোহর নগরীর মসজিদ সমূহে বিশেষ মোনাজাত এবং মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।

বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত নগরীর সিনেমা হলসমূহে বিনা টিকিটে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হয়। বেলা দুইটা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত স্থানীয় নৌ-বাহিনীর জাহাজ খুলনাস্থ বিআইডবিউটিএ রকেট ঘাটে জনসাধারণের দর্শনের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়। বিভাগীয় যাদুঘরে সকাল থেকে বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত শিশুসহ বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য বিনা টিকেটে উন্মুক্ত রাখা হয়।

বিকালে পাইওনিয়ার মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে মহিলাদের ক্রীড়া অনুষ্ঠান এবং খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে খুলনা সিটি কর্পোরেশন বনাম জেলা প্রশাসন একাদশের মধ্যে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।

সন্ধ্যায় খুলনা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শহীদ হাদিস পার্কে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আলোচনার বিষয় ছিল ‘সুখী, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে ডিজিটাল প্রযুক্তির সার্বজনীন ব্যবহার এবং মুক্তিযুদ্ধ’।

এছাড়াও দিবসটি পালন উপলক্ষে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি-জেপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পৃথক পৃথক কর্মসূচির আয়োজন করে।

ইত্তেফাক/বিএএফ

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
২১ মে, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন