ঢাকা শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২০, ২১ চৈত্র ১৪২৬
২৮ °সে

আত্মসমর্পণ করা ৯৭ ইয়াবা কারবারির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন

আত্মসমর্পণ করা ৯৭ ইয়াবা কারবারির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন
কক্সবাজারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আত্মসমর্পণ করা ইয়াবা কারবারীরা। ছবি: ফোকাস বাংলা

২০১৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি আত্মসমর্পণ করা ১০২ আত্মস্বীকৃত ইয়াবা কারবারির মধ্যে ৯৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে জনাকীর্ণ আদালতে শুনানি শেষে চার্জ সংগঠন করেন কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ইসমাইল।

মামলার ১০২ আসামির মধ্যে অসুস্থতাজনিত কারণে উপস্থিত হননি চারজন আসামি, তারা কারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ছাড়া রাসেল নামের আরেক আসামি কারান্তরিন অবস্থায় আগেই মারা গেছেন। ১০২ ইয়াবা ব্যবসায়ীর মধ্যে একজন ছাড়া বাকি সবাই টেকনাফের বাসিন্দা। রয়েছেন একাধিক জনপ্রতিনিধি।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনাকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম বলেন, ২০১৮ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ৩৬(১), ১০(গ) ৪০/৪১ অনুসারে আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা অস্ত্র আইনে আরেক মামলা (এসপিটি মামলা নং -৭৩/২০) আগামী একমাস পরে শুনানি শেষে চার্জ গঠন করা হবে।

আসামিপক্ষে ছিলেন, অ্যাডভোকেট মো. জাহাঙ্গীর আলম, অ্যাডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না, অ্যাডভোকেট মো. মহিউদ্দিন।

জানা যায়, ২০১৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান খান কামালের উপস্থিতিতে টেকনাফ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ১০২ জন ইয়াবা কারবারি আত্মসমর্পণ করে। এসময় তারা সাড়ে ৩ লাখ ইয়াবা, ৩০টি দেশে তৈরি বন্দুক এবং ৭০টি গুলি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জমা দেন। অপরদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার পথে স্বাগত জানানো হয়।

আরও পড়ুন: কার প্রশ্রয়ে বেপরোয়া রাজশাহী কলেজ ছাত্রলীগের সম্পাদক নাঈম?

আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে সাবেক এমপি বদির চার ভাইসহ রয়েছে আট স্বজন। ভাইদের মধ্যে আবদুস শুক্কুর, আমিনুর রহমান, মো. ফয়সাল রহমান ও শফিকুল ইসলাম এছাড়া রয়েছেন ভাগিনা সাহেদ রহমান নিপু, ফুফাতো ভাই কামরুল হাসান রাসেল, খালাতো ভাই মংমং সেন ও বেয়াই শাহেদ কামাল।

এদিকে, মামলার কোনো ঝামেলা ছাড়াই আইনের অনুকম্পা পাওয়ার আশায় আত্মসমর্পণে এসে দীর্ঘ দিন কারাভোগ ও মামলার গ্যাঁড়াকলে পড়ায় আসামি ও তাদের স্বজনদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসাইন বলেন, আইন চলবে আইনের গতিতে। নিয়মের ভেতর যতটুকু সম্ভব সব ধরণের সহযোগিতা পাবেন স্বাভাবিক জীবনের স্বপ্নে আত্মসমর্পণকারীরা। তিনি বলেন, দীর্ঘ ভুলের কিছু প্রায়শ্চিত্ত না করলে স্বাভাবিক জীবনের স্বাদ মধুর হওয়ার নয়।

ইত্তেফাক/এসি

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
icmab
facebook-recent-activity
prayer-time
০৪ এপ্রিল, ২০২০
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন