বেটা ভার্সন
আজকের পত্রিকাই-পেপার ঢাকা শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২০, ২৪ শ্রাবণ ১৪২৭
২৯ °সে

গাইবান্ধায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

গাইবান্ধায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি
গাইবান্ধায় বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে ফসলি জমি ও বাড়ি ঘর। ছবি: ইত্তেফাক

গাইবান্ধার সবগুলো নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। সোমবার বিকাল ৩ টায় ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপদসীমার ৬৭ সে.মি., তিস্তার নদীর পানি বিপদসীমার ১৫ সে.মি. ও ঘাঘট নদীর পানি বিপদসীমার ৪৩ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

চলতি মাসের প্রথম পর্যায়ের বন্যায় সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি, সাঘাটা ও সদর উপজেলার নদী তীরবর্তী এবং চরাঞ্চল থেকে যেসব এলাকা থেকে পানি নেমে গিয়েছিল সেগুলো আবার নতুন করে বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। ফলে সোয়া লক্ষাধিক মানুষ করোনা ও বন্যার পর আবারো বন্যায় চরম দুর্দশার মধ্যে পড়েছে। এছাড়া রাস্তাঘাট ডুবে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

এদিকে ঘাঘট নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় শহরের ডেভিট কোম্পানি এলাকায় শহররক্ষা বাঁধ ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মোখলেছুর রহমান মুঠোফোনে বলেন, নদ-নদীর পানি আরও দুদিন বৃদ্ধি পাবে। ফলে ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপদসীমার ১০০ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে এবং জেলার বন্যা পরিস্থিতি ব্যাপক অবনতি হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ব্রহ্মপুত্র ও ঘাঘট বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের বিভিন্ন পয়েন্টে জরুরী প্রতিরক্ষামূলক কাজ করা হচ্ছে। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা একেএম ইদ্রিস আলী বলেন, গাইবান্ধার ৪ টি উপজেলার ২৬ টি ইউনিয়ন পুনরায় বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। ওইসব এলাকার ১ লাখ ২২ হাজার মানুষের ঘরবাড়িতে পানি উঠেছে। এজন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ এবারের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৪ উপজেলার বন্যার্তদের মধ্যে বিতরণের জন্য গতকাল সোমবার নতুন করে ১০০ মে. টন চাল, ৪ লাখ টাকা, ১ হাজার ৮০০ প্যাকেট শুকনো খাবার এবং শিশু খাদ্যের জন্য ২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক আব্দুল মতিন জানান, জেলার বন্যার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কন্ট্রোল রুম খোলা খোলা হয়েছে। বন্যা কবলিত মানুষরা যে কোন প্রয়োজনে কন্ট্রোল রুমের (০১৭৪৬৪৯৯৩৪২/০৫৪১৫১৩৮) নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

ইত্তেফাক/এসআই

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত