বেটা ভার্সন
আজকের পত্রিকাই-পেপার ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২০, ২২ শ্রাবণ ১৪২৭
৩০ °সে

বন্যাকবলিত ও নদী ভাঙ্গন এলাকায়

শিবচরে বন্যাকবলিত ও নদী ভাঙ্গন এলাকায় চিফ হুইপের নির্দেশে জিও ব্যাগ ডাম্পিং ও ত্রাণ বিতরণ

শিবচরে চিফ হুইপের নির্দেশে জিও ব্যাগ ডাম্পিং ও ত্রাণ বিতরণ
শিবচরে বন্যাকবলিত ও নদী ভাঙ্গন এলাকায় চিফ হুইপের নির্দেশে জিও ব্যাগ ডাম্পিং ও ত্রাণ বিতরণ

শিবচরে বন্যাকবলিত ও নদী ভাঙ্গন এলাকায় চিফ হুইপ ও স্থানীয় সংসদ সদস্য নূর-ই-আলম চৌধুরীর নির্দেশে জিও ব্যাগ ডাম্পিং ও ত্রাণ বিতরণ চলছে। বন্যাকবলিত ও নদী ভাঙ্গন ইউনিয়নগুলো হলো চরজানাজাত, বন্দরখোলা, সন্ন্যাসীরচর, মাদবরেরচর, কাঁঠালবাড়ী, নিলখী, শিরুয়াইল, দক্ষিণ বহেরাতলা। এর মধ্যে চরজানাজাত ও বন্দরখোলা ইউনিয়ন বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ইতিমধ্যে বন্দরখোলা ইউনিয়ন বন্যাকবলিত ও নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণ করেছেন নবাগত জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আসাদুজ্জামান, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি এম রকিবুল হাসান, জনপ্রতিনিধি, উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনসহ আরো অনেকেই।

অপরদিকে চরজানাজাত ইউনিয়নে বন্যাকবলিত ও নদী ভাঙ্গন এলাকায় প্রায় ৫০০ পরিবারকে ২০ কেজি করে চাউল এবং ৩০০ পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়।

এ সময় উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও চরজানাজাত ইউনিয়ন এর সেক্টর কমান্ডার ইলিয়াস পাশা, উপজেলা আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় সম্পাদক মো. মিঠু বেপারী, চরজানাজাত ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার হারুনুর রশিদ মুন্সি, সাধারণ সম্পাদক সাফি সরকার, চরজানাজাত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম রায়হান সরকার, চরজানাজাত ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মালেক তালুকদার, চরজানাজাত ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনসহ আরো অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। শুধু চরজানাজাত-বন্দরখোলা ইউনিয়ন নয় বন্যাকবলিত ও নদী ভাঙ্গন সব ইউনিয়নগুলো মধ্যেও ত্রাণ বিতরণ চলছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত দুদিন ধরে দ্বিতীয় দফায় পদ্মায় পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫ সেন্টিমিটার পানি বেড়েছে। এখন বিপদ সীমার ৪২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অথৈই পানিতে ডুবিয়ে কৃষক ক্ষেতের ফসল কাটছেন। পানি বন্দী হয়ে গবাদি পশু নিয়ে বিপাকে পড়েছে চরাঞ্চলের মানুষজন। শিশু ও বৃদ্ধদের নিয়ে কোন রকমে দিনযাপন করছে চরাঞ্চলের মানুষ। বন্যার পানিতে ঘরবাড়িসহ বাড়ির উঠান তলিয়ে গেছে। তাই বাঁশের সাকো দিয়ে কোন রকমে চলাচল করছে পানিবন্দী মানুষ। পানিবন্দী চরাঞ্চলের মানুষকে নিরাপদে আশ্রয় কেন্দ্রে আনার কাজ শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন।

ইত্তেফাক/আরএ

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত