বেটা ভার্সন
আজকের পত্রিকাই-পেপার ঢাকা শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২০, ২৪ শ্রাবণ ১৪২৭
৩২ °সে

মির্জাপুরে খোলা আকাশের নিচে শত শত বানভাসি মানুষ

মির্জাপুরে খোলা আকাশের নিচে শত শত বানভাসি মানুষ
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে রাস্তার ওপর আশ্রয় নেওয়া বন্যা কবলিত মানুষ। ছবি: ইত্তেফাক

রাস্তার ওপরে খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়েছেন টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের বন্য কবলিত মানুষরা। পরিবার পরিজন নিয়ে এমন জীবন যাপন করলেও এখনও সেখানে পৌঁছেনি ত্রাণ সেবা।

সরেজমিন, মির্জাপুর পৌরসভার ১, ২, ৩, ৪ এবং ৫ নং ওয়ার্ডের কয়েকটি এলাকার বন্যা কবলিত লোকজন শতশত পরিবার বিভিন্ন ব্রিজ-কালভার্ট ও উচু রাস্তায় আশ্রয় নিয়েছেন। অনেকেই নৌকা, ভেলা ও ঘরের চালের ওপর আশ্রয় নিয়েছেন। পৌরসভা ছাড়াও উপজেলার ১১ ইউনিয়নের অধিকাংশ আঞ্চলিক সড়ক, হাট-বাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্যার পানিতে ডুবে গিয়ে সরাসরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। বংশাই নদীর ত্রিমোহন বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ মো. একাব্বর হোসেন ব্রিজে গিয়ে দেখা গেছে, ওই এলাকার বন্যা কবলিত কয়েক শতাধিক পরিবার ব্রিজের ওপর পলিথিন মুড়িয়ে ঝুঁপড়ি তৈরি করে পরিবার পরিজন নিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। তাদের অভিযোগ, এখনও ত্রাণ সহযোগিতা পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন: মধুপুর বনাঞ্চলে ১০ হাজার গাছের চারা নিধনকারী গ্রেফতার

ভাওড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আমজাদ হোসেন ও মহেড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. বাদশা মিয়া জানান, পৌরসভা, ফতেপুর, লতিফপুর, মহেড়া, জামুর্কি, বহুরিয়া, ভাওড়া, ভাদগ্রাম, ওয়ার্শি, বানাইল এবং আনাইতারা ইউনিয়নের আঞ্চলিক সড়কগুলো তলিয়ে গেছে। রাস্তা-ঘাটের পাশাপাশি মাছের খামার, ফসলি জমি, সবজি, গাছপালা, গবাদি পশুর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বংশাই ও লৌহজং নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় দুই শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র এবং স্বাস্থ্য উপ কেন্দ্রগুলো বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে।

মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আবদুল মালেক মোস্তাকিম জানান, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান-মেম্বারদের সমন্বয়ে বানভাসি পরিবারগুলোর তালিকা প্রণয়ন করে সহযোগিতা করা হচ্ছে।

ইত্তেফাক/এসি

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত