বেটা ভার্সন
আজকের পত্রিকাই-পেপার ঢাকা বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২০, ২১ শ্রাবণ ১৪২৭
৩০ °সে

চকরিয়ায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ অজ্ঞাতনামা ৩ জন নিহত, ওসিসহ আহত-৪

চকরিয়ায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ অজ্ঞাতনামা ৩ জন নিহত, ওসিসহ আহত-৪
[ফাইল ছবি]

কক্সবাজারের চকরিয়ায় ইয়াবার বড় চালান হাতবদলের সময় পুলিশের সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ অজ্ঞাতনামা তিনজন নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি নিহতরা মাদক কারবারি ও সন্ত্রাসী। শুক্রবার (৩১ জুলাই) ভোররাতে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চকরিয়ার বানিয়ারছড়াস্থ পাহাড়ি আমতলী গর্জন বাগানের ভেতর এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

ঘটনাস্থল থেকে ৪৪ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট এবং দেশে তৈরি দুটি আগ্নেয়াস্ত্র, ৭ রাউন্ড গুলি ও ১৫ রাউন্ড ব্যবহৃত গুলির খোসা জব্দ হয়েছে। এসময় ওসিসহ ৪ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন চকরিয়া থানার ওসি হাবিবুর রহমান।

ওসি হাবিবুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার দিনগত রাত দেড়টার দিকে বরইতলী নতুন রাস্তার মাথা এলাকা থেকে জাহেদা বেগম ও মোজাফ্ফর আহমদ নামের দুইজন মাদক কারবারিকে ৬ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা তথ্য দেয়, রাতে বানিয়ারছড়া পাহাড়ি এলাকায় ইয়াবার একটি বড় চালান হাতবদল হবে। সেই চালান এবং মাদক ও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে পুলিশও অভিযান শুরু করে। বানিয়ারছড়াস্থ পাহাড়ি আমতলী গর্জন বাগান এলাকায় পুলিশ পৌঁছালে তাদের লক্ষ্য করে গুলিছুঁড়ে ইয়াবা কারবারিরা। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। রাত তিনটা থেকে থেমে থেমে প্রায় একঘণ্টা পুলিশ-মাদক কারবারি ও সন্ত্রাসীদলের গোলাগুলি চলে। মাদক কারবারি ও সন্ত্রাসীরা অন্তত ৩০ রাউন্ড এবং পুলিশের পক্ষ থেকে ছোড়া হয় প্রায় ৫০ রাউন্ড গুলি। মুহুর্মুহু গুলির শব্দে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

ওসি আরো জানান, পরে অপরপক্ষ থেকে গুলি থেমে গেলে ঘটনাস্থল তল্লাশি করা করে তিনজনের গুলিবিদ্ধ মরদেহ পায় পুলিশ। গোলাগুলিতে ওসি নিজে (হাবিবুর রহমান), হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর আমিনুল ইসলাম, কনস্টেবল সাজ্জাদ হোসেন ও মো.সবুজ আহত হন। গুলিবিদ্ধ দেহ এবং আহত পুলিশ সদস্যদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখানে গুলিবিদ্ধদের মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। তাৎক্ষণিক নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

আহত ওসি হাবিবুর রহমান বলেন, বন্দুকযুদ্ধে নিহত তিনজনের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া না গেলেও অজ্ঞাতনামা তিনজনই মাদক কারবারি ও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী । ময়নাতদন্তের জন্য তাদের মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। এ ঘটনায় হত্যা, অস্ত্র ও মাদক আইনে পৃথক তিনটি মামলা রুজু করা হচ্ছে।

ইত্তেফাক/এমআর

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত