ঈশ্বরদীর আড়ত থেকে পেঁয়াজ গায়েব, বাজারে অভিযানের পরই আগের চেহারা

ঈশ্বরদীর আড়ত থেকে পেঁয়াজ গায়েব, বাজারে অভিযানের পরই আগের চেহারা
ঈশ্বরদীর আড়তে দেখা যাচ্ছে না পেঁয়াজের মজুদ। প্রশাসনের অভিযানের পর আগের চেহারায় ফিরে আসছে বাজার। ছবি: ইত্তেফাক

ভারত থেকে পেঁয়াজ আসছে না এমন খবরে নড়েচড়ে বসেছেন ঈশ্বরদীর পেঁয়াজের আড়তদাররা। আড়তগুলোতে আর দেখা যাচ্ছে না পেঁয়াজের মজুদ। তৈরি করা হচ্ছে কৃত্রিম সঙ্কট। এমন অবস্থায় বসে নেই প্রশাসন। পেঁয়াজের দ্বিগুন দামের খবরে উপজেলা প্রশাসন মঙ্গলবার ঈশ্বরদীর বাজারগুলোতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে। এসময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্র্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মমতাজ মহলের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে পাঁচজন অসাধু ব্যবসায়ীকে জরিমানা ও মামলা দায়ের করা হয়। তবে এর পরক্ষণেই ফিরে আসে আগে চেহারা। পেঁয়াজ বিক্রি হয় ১০০ টাকা কেজি দরে।

খুচরা দোকাদাররা জানান, সোমবার ভারত রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা দেওয়ার পর হঠাৎ করেই বিপুল ক্রেতা দোকানে ভিড় করেছেন পেঁয়াজ কেনার জন্য। মঙ্গলবার সকালে ঈশ্বরদী কয়েকটি পাইকারী আড়তদার পেঁয়াজের দাম রাতারাতি বাড়িয়ে ৮০-৯০ টাকা দরে বিক্রি শুরু করেন। খুচনা দোকানীরা এই পেঁয়াজ ৯০-১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি করছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমরুল কায়েস জানান, বাজারে পেঁয়াজের অস্বাভাবিক দাম বাড়ার খবর পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পাঠিয়েছি। ম্যাজিস্ট্রেট বাজারে থাকাকালীন ৬০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মমতাজ মহল জানান. আজকে সতর্কতামূলকভাবে সামান্য কিছু জরিমানা ও পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

মহিদুল ইসলাম নামে এক ক্রেতা জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাজার থেকে চলে যাওয়ার পর আড়তের পাইকার ও বড়ো খুচরা দোকানদাররা বিক্রি বন্ধ করে পেঁয়াজ সরিয়ে ফেলে। কিছু দোকানদারকে আবারো ৮০-১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি করতে দেখা গেছে। আড়তে আর কোনো পেঁয়াজ দেখা যায়নি। পেঁয়াজ সরিয়ে কৃত্তিম সঙ্কট সৃষ্টি করা হয়েছে।

ইত্তেফাক/এসি

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত