পচে গেল পেঁয়াজ ব্যবসায়ীদের কপাল 

পচে গেল পেঁয়াজ ব্যবসায়ীদের কপাল 
ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ বেশিরভাগই পচা।

সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ বেশিরভাগই পচা বলে অভিযোগ করেছে ব্যবসায়ীরা। এতে আর্থিকভাবে মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন তারা। টানা পাঁচদিন বন্ধ থাকার পর গত শনিবার এলসির টেন্ডার করা আটটি পেঁয়াজ ভর্তি ট্রাক সোনামসজিদ স্থলবন্দরে প্রবেশ করে। এতে প্রায় ২৪০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ ছিল।

রবিবার বিকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে- শিবগঞ্জের আড়তগুলোতে ফ্যান দিয়ে পেয়াঁজে বাতাস দেয়া হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন- আমদানি করা পেঁয়াজের অধিকাংশ পচে নষ্ট হয়ে গেছে। এতে তারা আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। শিবগঞ্জের পেঁয়াজ আড়তদার আজিজুল হক ও তাজিমুল হক বলেন, ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজের মধ্যে প্রায় ৩০ ভাগই নষ্ট। সোনামসজিদ স্থলবন্দরে সঙ্গনিরোধ কীটতত্ত্ববিদ অফিসের কর্মকর্তা তারেক ও পানামা পোর্ট লিংক লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজার মাইনুল ইসলাম জানান, আমদানি করা পেঁয়াজের অধিকাংশই পচে নষ্ট হয়েছে। এতে ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন।

তারা জানায়, ভারতের ওপারে মহদিপুর স্থলবন্দরে আটকে পড়া পেঁয়াজের গাড়িগুলো পরবর্তী এলসিতে আসার অপেক্ষায় আছে। কিন্তু ভারতীয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি না পাওয়া ও পেঁয়াজ পচে যাওয়ার কারণে গাড়িগুলো ফিরে যাচ্ছে। এদিকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হলেও বাজারে কোনো প্রভাব পড়েনি। এখনও বাজারে দেশি পেঁয়াজ ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সোনামসজিদ স্থলবন্দর আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক তৌফিকুর রহমান বাবু জানান, গত ১৪ সেপ্টেম্বরের আগে খোলা এলসির বিপরীতে আটকে পড়া মহদিপুর স্থলবন্দরে পেঁয়াজ রফতানির অনুমতি দিয়েছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে প্রায় ২৪০ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। মহদিপুর স্থলবন্দর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শ্রী ভূপতি মণ্ডল জানান, অনুমতি না পাওয়ায় ও পেঁয়াজ নষ্ট হওয়ার কারণে প্রায় ৩শ ট্রাক এরই মধ্যে ফেরত গেছে। তিনি জানান, এখনও প্রায় শতাধিখ পেঁয়াজ ভর্তি ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে। তবে ট্রাকগুলো কবে নাগাদ সোনামসজিদ স্থলবন্দরে প্রবেশ করবে তা তিনি বলতে পারেননি।

ইত্তেফাক/আরকেজি

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত