অতিরিক্ত আঘাতে দেহের ভেতরের রগ ফেটে মৃত্যু

অতিরিক্ত আঘাতে দেহের ভেতরের রগ ফেটে মৃত্যু
বন্দর বাজার পুলিশ ফাঁড়ি। ইনসেটে নিহত রায়হান। ছবি: সংগৃহীত

সিলেটে পুলিশ ফাঁড়িতে ‘নির্যাতনে’ মারা যাওয়া রায়হানের শরীর ভোতা অস্ত্রের আঘাতের কারণে বেশি জখম হয়েছে। আর মৃত্যু হয়েছে অতিরিক্ত আঘাতের কারণেই।

ওসমানী মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. মো. শামসুল ইসলাম এ কথা জানান। বৃহস্পতিবার রায়হানের ২য় ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রতিনিধি দলের কাছে হস্তান্তর করেন তিনি।

সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘দ্বিতীয় ময়নাতদন্তেও প্রথম প্রতিবেদনের সামঞ্জস্য পেয়েছে ফরেনসিক মেডিকেল বোর্ড।’

এর আগে গত ১৫ অক্টোবর প্রথম ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পিবিআই এর কাছে হস্তান্তর করে ওসমানী মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ। ওই প্রতিবেদনে রায়হানের দেহে ১১১টি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায় বলে ওঠে আসে। একই সঙ্গে অতিরিক্ত আঘাতে দেহের অভ্যন্তরে রগ ফেটে রক্তক্ষরণের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এদিকে এ ঘটনায় বন্দর বাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়াসহ চার পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ।

অন্য তিনজন হলেন, কনস্টেবল হারুনুর রশীদ, কনস্টেবল তৌওহিদ মিয়া, কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাস। একই সঙ্গে তিন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়।

প্রত্যাহারকৃত পুলিশ সদস্যরা হলেন- এএসআই আশেক এলাহী, এএসআই কুতুব আলী, কনস্টেবল সজিব হোসেন।

এদিকে ঘটনার পর ১৩ অক্টোবর থেকে পলাতক রয়েছেন বন্দর বাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আকবর। এ ঘটনায় তাকে পালাতে সহায়তা ও তথ্য গোপনের অভিযোগে ওই ফাঁড়ি টু-আইস এসআই হাসান আহমদকেও সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।

ইত্তেফাক/জেডএইচ

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত