ধর্ষণের অভিযোগ থেকে বাঁচতে আওয়ামী লীগ নেতার সাজানো বিয়ে 

ধর্ষণের অভিযোগ থেকে বাঁচতে আওয়ামী লীগ নেতার সাজানো বিয়ে 
মহারম আলীর ফেসবুক পেজ। ছবি-ইত্তেফাক

তাড়াশে নওগাঁ ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মহারম আলীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ থেকে নিজেকে বাঁচাতে সাজানো বিয়ের অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে পলি খাতুন নামে এক সৌদি প্রবাসী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।

এদিকে অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতার সঙ্গে ভুক্তভোগীর অন্তরঙ্গ ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার ঝড় বয়ে চলেছে।

মামলা সূত্র ও সরেজমিনে জানা যায়, দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে সৌদিতে থেকে গৃহকর্মীর কাজ করে আসছেন প্রবাসী পলি খাতুন। কিন্তু করোনা সমস্যার কারণে এ বছর বাড়ি ফিরে আসেন।

পলি খাতুন বলেন, বিদেশে থাকা অবস্থায় আওয়ামী লীগ নেতা মহারম আলীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। যেদিন তিনি বিদেশ থেকে বাড়িতে আসেন ওইদিনই জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। বিয়ের আশ্বাস দিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কে জড়ান মহারম আলী। এরপর বিয়ের জন্য চাপ দেওয়া হলে এপ্রিল মাসের ১৫ তারিখে গোপনে শরিয়ত মোতাবেক বিয়ে করেন। তার গর্ভে সন্তান আসে। তবে বিভিন্ন কৌশলে সেই সন্তান নষ্ট করে দেওয়া হয়। শেষপর্যন্ত বিয়েটাকেই অস্বীকার করে বসেন। নিরুপায় হয়ে সিরাজগঞ্জ আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা করেছেন।

অভিযুক্ত নওগাঁ ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মহারম আলী জানিয়েছেন, তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। বিয়ের কাগজপত্র ভুয়া। অন্তরঙ্গ ছবিগুলোও এডিট করা বলে দাবি করেন।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আব্দুল হক বলেন, ঘটনার তদন্ত করে দলীয় নিয়মানুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একমত পোষণ করেছেন, নওগাঁ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সাইফুজ্জামান আলম।

ইত্তেফাক/আরকেজি

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত