ঘোষণার পরেও রংপুরে চলছে না গণপরিবহন

ঘোষণার পরেও রংপুরে চলছে না গণপরিবহন
ছবি: সংগৃহীত

সরকারের ঘোষণার পরেও রংপুর মহানগরীতে চলাচল বন্ধ গণপরিবহন। সিটি করর্পোরেশনে চলাচলের এরিয়া কম হওয়ায় চালকরা চালাচ্ছেন না গণপরিবহন।

বুধবার (এপ্রিল) সকালে গণপরিবহনের চালক, সহযোগী এবং সুপারভাইজাররা রংপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে আসলেও তারা গাড়িতে হান দেননি। যাত্রীরাও আসেননি টার্মিনালে। ফলে সারি সারি ভাবে টার্মিনালেই সাজানো আছে যানবাহন।

ড্রাইভার আমিনুল ইসলাম জানান, রংপুর সিটি এলাকায় দম দমা থেকে হাজিরহাট পর্যন্ত গণপরিবহন চালানোর সুযোগ আছে। যার দৈর্ঘ্য মাত্র ১০ কিলোমিটার। এতো স্বল্প দৈর্ঘ্য এলাকায় গাড়ি চালালে তেলের টাকাই না উঠার কথা বলছেন তারা। ড্রাইভার আব্দুল খালেক জানান, চট্টগ্রাম এবং ঢাকা মহানগরী ছাড়া কোনো সিটি এলাকাতেই গণপরিবহন চালানো সম্ভব নয়। রংপুর সিটিতে গাড়ি চালানো সংক্রান্ত ঘোষণা নাটক ছাড়া কিছু না।

সফিউল ইসলাম জানান, টিভিতে শিরোনাম গেছে মহানগরী এলাকায় গাড়ি চলবে। সে কারণে আমরা সকাল ৬টায় আসলেও কোনো যাত্রী স্ট্যান্ডে আসেনি। আর রংপুর সিটিতে যে যাত্রী আছে তা রিকশা আর অটো ওয়ালারাই বহন করছে। লকডাউনের সময়ে তাদেরই যাত্রী কম। তারা অনেকেই বসে আছে। সুতরাং এ ধরনের সিদ্ধান্ত পরিবহন সেক্টরের সাথে তামাশার সামিল। তিনি আন্তজেলা গণপরিবহন চালুর দাবি জানান।

রংপুর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক এমএ মজিদ জানান, গাড়ি না চলার কারণে শ্রমিকদের পেটে ভাত নেই। রংপুর সিটিতে গণপরিবহন চলার মতো কোনো সুযোগ নেই। তাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে আন্তজেলা গণপরিবহন চালুর দাবি জানাচ্ছি।

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহা. আবদুল আলীম মাহমুদ জানান, সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি মেনে রংপুর সিটি এলাকায় গণপরিবহন চললে আমরা সহযোগিতা করবো।

এ বিষয়ে, রংপুর সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা জানান, গণপরিবহন চলাচলের মতো সিটি এলাকায় এরিয়া খুবই কম। লকডাউনে মানুষ কম বের হচ্ছে। যতটুকু যাত্রী আছে তা রিকশা অটোতেই কাভার হচ্ছে।

ইত্তেফাক/এনএ

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
আরও
আরও
x