উইঘুর মুসলিম নির্যাতন বন্ধে মানবাধিকার সংরক্ষণ পরিষদের কর্মসূচি

উইঘুর মুসলিম নির্যাতন বন্ধে মানবাধিকার সংরক্ষণ পরিষদের কর্মসূচি
ছবি সংগৃহীত

চীনের উইঘুর মুসলিমদের উপর যে নির্যাতন হচ্ছে তা মানবতার ইতিহাসে এক জঘন্য অধ্যায়। বুধবার (৫ মে) উইঘুর মুসলিমদের নির্যাতনের প্রতিবাদের মানবাধিকার সংরক্ষণ পরিষদ সিলেটের উদ্যোগে নানা কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

কর্মসূচির মধ্যে চীনের উইঘুরে মুসলিমদের ওপর সে দেশের সরকারের নির্যাতনের চিত্র পোস্টার সাটানো, মসজিদে মসজিদে লিফলেট বিতরণ, গণসংযোগ ইত্যাদি।

লিফলেটে ১৪টি দাবি উত্থাপন করা হয়। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো উইঘুর মুসলিমদের ঐতিহ্য ডিওপিপিএ নামক চার কোন বিশিষ্ট টুপি পরিধানে উপর সরকারি বিধি নিষেধ প্রত্যাহার, উইঘুর মুসলিমদের উপর সিস্টেমেটিক দমন বন্ধ,মুসলমানদের দরজায় বিশেষ কোড বন্ধ, জোর করে গর্ভপাত বন্ধ, শিংজিয়াং অঞ্চলে মুসলিমদের বন্দি শিবির খুলে দেওয়া ইত্যাদি।

মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, দশ লাখেরও অধিক উইঘুর মুসলিমকে চীন সরকার জিনজিয়াং প্রদেশের পুনর্বাসন কেন্দ্রে বন্দি রেখে নিপীড়ন করে আসছে। এ ধরনের একাধিক অভিযোগ ও প্রমাণ রয়েছে বলে সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। পশ্চিমা বিশ্ব ও মানবাধিকার কর্মীরা চীনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় মানবাধিকার লঙ্ঘন, নির্যাতন, বাধ্যতামূলক শ্রম ও জাতিগত নিধনের অভিযোগ করে আসছে।

সম্প্রতি চীনের শিনজিয়াং প্রদেশে বসবাসরত ২০ লাখ মুসলিমকে অন্যায়ভাবে বন্দি করে রেখেছে চীন সরকার। মসজিদ ভেঙে দিয়ে টয়লেট নির্মাণ, মুসলিম নারীদের ধর্ষণ, জোরপূর্বক গর্ভপাত করানো, অন্য ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মুসলিম মেয়েদের বিবাহ করানো, কনসেনট্রেশান ক্যাম্পে মসজিদের ইমামদের বন্দি করে নির্যাতন চালানো, কথিত শিক্ষা শিবির চালুকরণ, মসজিদে আজান দেওয়া বন্ধ, পবিত্র কুরআন নিষিদ্ধকরণ ইত্যাদির মাধ্যমে উইঘুর মুসলিম সম্প্রদায়ের মৌলিক ও মানবাধিকার চরমভাবে লঙ্ঘন চলমান রেখেছে চীন সরকার।

ইত্তেফাক/এমএএম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
আরও
আরও
x