কঠোর বিধিনিষেধে ফাঁকা দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথ

কঠোর বিধিনিষেধে ফাঁকা দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথ
যানবাহন শূন্য ফেরিঘাট। ছবি: ইত্তেফাক

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ বিস্তার রোধে কঠোর বিধিনিষেধ ঘোষণায় ঈদের পরের দিন দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে গত ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ৬ হাজার যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে ব্যক্তিগত যানবাহন ছিলো সবচেয়ে বেশি। তবে শুক্রবার (২৩ জুলাই) সকাল ১০ টার পর থেকে ফেরিঘাট যানবাহন শূন্য হয়ে গেছে।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি উপেক্ষা করে ফেরিতে গাদাগাদি করে নদী পার হয়েছে সাধারণ মানুষ। ঈদের একদিন পর থেকে সরকারের কঠোর বিধিনিষেধ ঘোষণা করায় স্বজনদের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে জরুরিভাবে ঢাকাসহ আশপাশের জেলাগুলো থেকে গ্রামের বাড়িতে আসা মানুষ ফিরেছে কর্মস্থলে।

শুক্রবার সকালের দিকে দেশের গুরুত্বপূর্ণ নৌরুটের দৌলতদিয়া প্রান্তে ঢাকাগামী যানবাহন ও মানুষের ভিড় দেখা গেছে। প্রতিটি ফেরিতে গাদাগাদি করে কোন প্রকার স্বাস্থ্যবিধি না মেনে পার হয়েছে মানুষ। তবে সকাল ১০টার পর থেকে ঘাটে জরুরিসেবার গাড়ি ছাড়া অন্য তেমন আর কোন যানবাহন দেখা যায়নি। বর্তমানে ব্যস্ততম দৌলতদিয়া ঘাট ফাঁকা।

ছবি: ইত্তেফাক

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিটিসি) দৌলতদিয়া কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক মো. শিহাব উদ্দিন জানান, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের দৌলতদিয়া প্রান্ত থেকে গত চব্বিশ ঘণ্টায় বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) ভোর ছয়টা থেকে শুক্রবার (২৩ জুলাই) ভোর ছয়টা পর্যন্ত মোট ৫ হাজার ৮৬৩টি যানবাহন নদী পার হয়েছে। এরমধ্যে দূরপাল্লার বাস পার হয়েছে ৯৩৩ টি, প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাস পার হয়েছে ৪ হাজার ৭৮০টি এবং পণ্যবাহী ট্রাক পার হয়েছে ১৫০টি।

এছাড়াও এ রুটে গত ২৮ ঘণ্টায় ৭০০টি মোটরসাইকেল ও ৩ হাজার ৪৯১ জন লোকাল যাত্রী ফেরিপার হয়েছে। বর্তমান এই নৌরুটে ১৬টি ফেরি রয়েছে। তবে বৃহস্পতিবার রাতে আসা ফেরি পারের অপেক্ষায় থাকা গাড়িগুলোকে সকালে পারাপার করা হয়েছে। সকাল ১০ টার পর থেকে ঘাট যানবাহন শূন্য হয়ে গেছে।

ইত্তেফাক/এএএম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
আরও
আরও
x