নিউজিল্যান্ডে ড. আব্দুস সামাদের স্ত্রী কেশোয়ারা বেঁচে আছেন: ছেলের দাবি

প্রকাশ : ১৫ মার্চ ২০১৯, ২৩:৪০ | অনলাইন সংস্করণ

  নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ এলাকা। যেখানে বন্দুকধারীরা দুটি মসজিদে হামলা চালায়। ছবিঃ সংগহীত।

নিউজিল্যান্ডে ক্রাইস্টচার্চে দুটি মসজিদে বন্ধুকধারীর হামলায় দুই বাংলাদেশী নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছিল। তারা দুজন হলেন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিতত্ব বিভাগের সাবেক শিক্ষক ড. আব্দুস সামাদ এবং তার স্ত্রী কেশোয়ারা সুলতানা। তবে কেশোয়ারা সুলতানা মারা যাননি বলে জানা গেছে। আর এ দাবি করেছেন তার বড় ছেলে তোহান মোহাম্মদ। শুক্রবার সন্ধ্যা পৌনে ৮টায় ঢাকার মিরপুর থেকে মুঠোফোনে তিনি এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তোহান মোহাম্মদ জানান, তার মায়ের সঙ্গে চল্লিশ মিনিট আগে মোবাইল ফোনে কথা হয়েছে। তিনি সুস্থ আছেন। বাবার অবস্থা জানতে তার মা নিউজিল্যান্ডে ক্রাইস্টচার্চ জেনারেল হাসপাতালে গেছেন। গুরুতর আহতদের চিকিৎসা চলছে। পরিস্থিতি শান্ত না হওয়া পর্যন্ত পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোন কিছুই প্রকাশ না করায় তিনি বাসায় ফিরে গেছেন। 

এদিকে বিভিন্ন মিডিয়ায় তার মায়ের মৃত্যুর খবর প্রকাশ করায় তোহান মোহাম্মদ ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

নিহত ড. আব্দুস সামাদের বাড়ি নাগেশ্বরী উপজেলার মধুরহাইল্যা গ্রামে। তার বাবা জামাল উদ্দিন সরকার। ৫ ভাই ৬ বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার বড়। তার ছোটভাই আসাদ সরকার মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হন।

আরও পড়ুনঃ ‘আমরা এক জঘন্য পৃথিবীতে বাস করছি’

আব্দুস সামাদ ২০১৩ সালে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্বেচ্ছায় চাকরি ছেড়ে দিয়ে নাগরিকত্ব নিয়ে স্ত্রী কেশোয়ারা , ছেলে তোহান মোহাম্মদ, তারেক ও তানভিরসহ নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ শহরে স্থায়ী বসবাস শুরু করেন। পরে বড় ছেলে তোহান মোহাম্মদ দেশে ফিরে এসে বসবাস করলেও বাকিরা সেখানেই থেকে যান। সেখানে তিনি ‘মসজিদে নুর’-এ মোয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সকলকে নিয়ে আগামী ঈদুল ফিতরের আগে তার দেশে ফেরার কথা ছিল।

ইত্তেফাক/নূহু