বাবা-মায়ের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত ব্যারিস্টার আমিনুল হক

প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল ২০১৯, ২১:০১ | অনলাইন সংস্করণ

  স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী

গোদাগাড়ীতে ব্যারিস্টার আমিনুল হকের জানাযায় বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেন। ছবি-ইত্তেফাক

বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী এবং সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার আমিনুল হককে তার বাবা-মায়ের কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকাল ৫টায় রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌর পার্ক মাঠে ষষ্ঠ জানাজা শেষে ব্যারিস্টার আমিনুল হককে ফাজিলপুর পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। তার জানাযায় নামাজে হাজারো মানুষের ঢল নামে।

এর আগে দুপুর ২টায় রাজশাহীর তানোর উপজেলার ডাক বাংলো মাঠে তার পঞ্চম জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেও হাজারো মানুষ তার জানাযার নামাজে অংশ নেন। এর আগে সকালে ব্যারিস্টার আমিনুল হকের মরদেহ ঢাকা থেকে গোদাগাড়ী পৌরসভার কেল্লাবারুইপাড়া মহল্লার নিজ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।

আরও পড়ুন : দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

গোদাগাড়ীর জানাযার নামাজের আগে বক্তব্য দেন তার বড় ভাই ও পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক ড. এম এনামুল হক। এখানে জানাযা নামাজে অংশ নেন- রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী, রাজশাহী-৩ আসনের এমপি আয়েন উদ্দিন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু, বিএনপির যুগ্ন-মহাসচিব হারুন অর রশিদ, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সিটি মেয়র মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সরকার, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সাবেক এমপি জামায়াত নেতা লতিফুর রহমান, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল হক মিলন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবদুস সালাম শাওয়াল, গোদাগাড়ী পৌরসভার সাবেক মেয়র আনোয়ারুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ইসহাক আলী, নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।

উল্লেখ্য, ব্যারিস্টার আমিনুল হক রাজশাহী-১ আসন থেকে ১৯৯১, ১৯৯৬ এবং ২০০১ সালে বিএনপির মনোনয়নে এমপি নির্বাচিত হন। এরমধ্যে জোট সরকারের দুই মেয়াদের প্রথমে প্রতিমন্ত্রী এবং সর্বশেষ ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন তিনি। একাদশ সংসদ নির্বাচনে তিনি এই আসনের আওয়ামী লীগ প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন।

উল্লেখ্য, গত রবিবার সকাল সাড়ে ৯টায় ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় ব্যারিস্টার আমিনুল হকের মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। তার মৃত্যুর খবরে নির্বাচনী এলাকা গোদাগাড়ী-তানোরে শোকের ছায়া নেমে আসে। 

ইত্তেফাক/কেআই