ঢাকা মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬
৩১ °সে


টেকনাফে আটকের পর ইয়াবা উদ্ধারে গিয়ে 'বন্দুকযুদ্ধে' কারবারি নিহত

টেকনাফে আটকের পর ইয়াবা উদ্ধারে গিয়ে 'বন্দুকযুদ্ধে' কারবারি নিহত
আটক ইয়াবা কারবারি সিরাজ মিয়া বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন।

কক্সবাজারের টেকনাফে আটক ইয়াবা কারবারিকে নিয়ে ইয়াবা উদ্ধার করতে গিয়ে বিজিবি ও পুলিশের যৌথ অভিযানে 'বন্দুকযুদ্ধে' তালিকাভূক্ত ইয়াবা কারবারি সিরাজ মিয়া (২৭) নিহত হয়েছেন। এসময় ঘটনাস্থল থেকে অর্ধলাখ পিস ইয়াবা ও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে অভিযানকারিরা।

বুধবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের নাফ নদ সংলগ্ন বেড়ীবাঁধের ৪ নম্বর স্লুইচ গেইট এলাকার আচারবনিয়া লবণ মাঠে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন টেকনাফ ২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. ফয়সাল খান ও থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ। নিহত সিরাজ মিয়া টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের আচারবনিয়া এলাকার ফজল আহমদের ছেলে।

আরও পড়ুন: নিম্নমানের খাদ্যপণ্য: সাতটির লাইসেন্স বাতিল, ১৮টি স্থগিত

টেকনাফ ২ বিজিবির অধিনায়ক জানান, ১৪ মে রাতে ৫০ হাজার পিস ইয়াবাসহ সিরাজকে আটক করা হয়। স্বীকারোক্তিকে সিরাজ জানায়, বুধবার রাতে নাফ নদ হয়ে লবণের মাঠ দিয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা প্রবেশ করবে। এ তথ্যের ভিত্তিতে রাত নয়টার দিকে ওই এলাকায় ইয়াবা উদ্ধারে গেলে উৎপেতে থাকা চোরাকারবারীরা বিজিবি ও পুলিশের উপর এলোপাতারি গুলি বর্ষণ করে। এ সময় পুলিশ ও বিজিবির দুই জন করে মোট চার সদস্য আহত হন। আত্মরক্ষার্থে বিজিবি ও পুলিশ পাল্টা গুলিবর্ষণ চালায়। অস্ত্রধারীদের সাথে ৫ থেকে ৭ মিনিট গুলি বিনিময় হয়। এক সময় চোরাকারবারীরা পিছু হটলে ঘটনাস্থল থেকে এক যুবককে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে গুলিবিদ্ধ সিরাজকে টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থা তার মৃত্যু হয়।

লে. কর্নেল মো. ফয়সাল খান বলেন, আহত দুই বিজিবির সদস্য মো. জহিরুল ইসলাম ও মোহাম্মদ রানা মিয়াসহ পুলিশের অপর দুই সদস্য টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা নেয়।

ওসি প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, অভিযানের সময় ঘটনাস্থলে তল্লাশি করে একটি চাইনিজ পিস্তল, ১ দেশিয় তৈরী বন্দুক, ৬৫টি গুলি ও ৫০ হাজার ইয়াবা পাওয়া যায়।

ওসির মতে, সিরাজ মিয়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভূক্ত ইয়াবা ব্যবসায়ি। তার একটি সংঘবদ্ধ ইয়াবা পাচার চক্র রয়েছে। ইয়াবার গডফাদার হিসেবে চক্রটিকে নিয়ন্ত্রণ করতো সিরাজ। মাদক ব্যবসায় জড়িত অভিযোগে টেকনাফ থানায় তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।

সিরাজের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান ওসি।

ইত্তেফাক/এমআরএম

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
২৩ জুলাই, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন