হত্যা মামলায় ১৩ জনের যাবজ্জীবন, আদালত থেকে পালালো একজন

প্রকাশ : ১৯ জুন ২০১৯, ১৭:৫৯ | অনলাইন সংস্করণ

  ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুরে জোড়া খুনের মামলায় যাবজ্জীবন প্রাপ্ত আসামিদের আদালত থেকে হাজতখানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ছবি: ইত্তেফাক

সাজা পেলো ফরিদপুরের সালথা উপজেলার নটখোলা গ্রামে গঞ্জর খাঁ ও মোসা মোল্লা নামে দুইজন খুনের ঘটনার ১৩ জন আসামি। আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণিত হওয়ায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ফরিদপুরের বিশেষ জজ আদালত।
   
বুধবার দুপুরে ফরিদপুরের বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. মতিয়ার রহমান এই আদেশ দেন। রায় ঘোষণার সময় কারাদণ্ড প্রাপ্ত ১১জন আসামি আদালতে হাজির ছিলেন। বাকি দুইজন পলাতক রয়েছেন। 

পুলিশ জানায়, রায় ঘোষণার পরে উপস্থিত ১১ জনকে কাঠগড়া থেকে হাজতখানায় নেওয়ার পথে আদালত চত্বর থেকে আফসার ফকির নামে এক আসামি পালিয়েছে। তাকে ধরতে অভিযান চালানো হচ্ছে। 

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্তরা হলো, আব্দুল মান্নান খা, সুরমান খা, মাজেদ খা, ওয়াজেদ খা, রাশেদ খা, সিদ্দিক ফকির, সোহরাব ফকির, আফসার ফকির, ফজলু ফকির, রহমান খা, রেজাউল খা, জিকির ওরফে জিগির খা, ওসমান ফকির। 

সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে জিকির ওরফে জিগির খা এবং সোহরাব পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরওয়ানা ইস্যুর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তারা গ্রেফতার হওয়ার দিন থেকে দণ্ডাদেশ কার্যকর করতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। 
  
বিশেষ জজ আদালতের পিপি এ্যাড. গোলাম রব্বানী বাবু মৃধা জানান, ২০০৩ সালের ২৩ ডিসেম্বর সালথা উপজেলার নটখোলা গ্রামে পিয়াজের দানা তোলাকে কেন্দ্র করে একটি শালিস বৈঠক বসে। সে সময় কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে আসামি পক্ষ গঞ্জর খাঁ ও মোসা মোল্লাকে কুপিয়ে হত্যা করে। 

আরও পড়ুন: ঝিনাইদহে মুয়াজ্জিন হত্যা, নেপথ্যে পরকীয়া

পরে নিহতদের ভাই আলাল মিয়া বাদি হয়ে ২৭ জনের বিরুদ্ধে সালথা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় বাকি ১৪ আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।  

আসামি পালানোর বিষয়ে ফরিদপুর কোতয়ালী থানা পুলিশের এএফএম নাসিম বলেন, অসাবধানতা বসত ঘটনাটি ঘটেছে। আশা করছি খুব দ্রুত তাকে গ্রেফতার করতে পারবো।

ইত্তেফাক/অনি