নবীনগরে ১১ দিনেও নিখোঁজ গৃহবধূ ও তার সন্তানের খোঁজ মেলেনি

প্রকাশ : ২২ জুলাই ২০১৯, ০২:২৭ | অনলাইন সংস্করণ

  ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

নবীনগরে নিখোঁজ মা ও শিশু। ছবি: ইত্তেফাক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার শ্যামগ্রামের চৈতী কর্মকার নামে এক গৃহবধূ ও তার ২ বছরের একমাত্র শিশুপুত্র সিদ্ধার্থ কর্মকার গত ১১দিনেও বাড়ি ফেরেননি। গত ১৩ জুলাই সকালে ওই গৃহবধূ তার শিশুপুত্রকে নিয়ে বাড়ি থেকে বাজারের উদ্দেশে বের হয়েছিলেন। তারপর থেকে তারা দুজন নিখোঁজ।

ঘটনার পরদিন ১৪ জুলাই এ নিয়ে থানায় জিডি করা হলে পুলিশও এখন পর্যন্ত মা-ছেলের সন্ধান দিতে পারেনি। নিখোঁজ গৃহবধূর স্বামী ও বাবার বাড়িতে সবাই উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় ভুগছেন।

জানা যায়, উপজেলার শ্যামগ্রামের রিপন কর্মকারের সঙ্গে চার বছর আগে নবীনগর পৌর এলাকার সুহাতা গ্রামের চৈতী কর্মকারের বিয়ে হয়। চৈতি নবীনগর মহিলা কলেজে ডিগ্রীতে অধ্যায়নরত থাকায় বেশির ভাগ সময়ই বাবার বাড়িতে থাকতেন।

নিখোঁজ গৃহবধূ চৈতীর স্বামী ‘হোপ’ এনজিওর শ্যামগ্রাম শাখায় কর্মরত রিপন কর্মকার বলেন, 'ঘটনার দিন ১৩ জুলাই সকালে আমার স্ত্রী চৈতী শিশুপুত্রকে সঙ্গে নিয়ে উপজেলা সদরের পাশে আলীয়াবাদ মার্কেটের জোনাকী শিল্পালয়ে স্বর্ণ কিনতে যান। দুপুর পর্যন্ত ফোনে যোগাযোগ ছিল। কিন্তু দিন শেষে রাতেও বাড়ি ফিরে না আসায় চৈতীর বাপের বাড়ি সুহাতাসহ বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে খোঁজ নেওয়া হয়। কিন্তু মা-ছেলের হদিস পাইনি। চৈতীর মোবাইলটিও বন্ধ থাকায় পরদিন ১৪ জুলাই নবীনগর থানায় জিডি করি। কিন্তু আজ ১১ দিনেও আমার স্ত্রী-পুত্রের সন্ধান দিতে পারেনি পুলিশ।'

চৈতীর বাবা নারায়ণ কর্মকার বলেন, 'আমার মেয়ে আমার আদরের নাতিসহ যে এভাবে নিঁখোজ হয়ে যাবে সেটা কোনোভাবেই মানতে পারছি না।'

আরও পড়ুন: সিদ্ধিরগঞ্জে ছেলেধরা সন্দেহে নিহত ও আহতের ঘটনায় দুই মামলা

নবীনগর থানার ওসি রনোজিত রায় বলেন, 'বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছি।'

ইত্তেফাক/নূহু