ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ৫ ভাদ্র ১৪২৬
৩২ °সে


ক্রেতা শূন্য চামড়ার বাজার, পুঁতে ফেলা হলো মাটিতে

ক্রেতা শূন্য চামড়ার বাজার, পুঁতে ফেলা হলো মাটিতে
ক্রেতা নেই। চামড়ার দামও কম। তাই বিক্রিও হয়নি। শেষে মাটিতে পুঁতে রাখা হলো বিক্রির জন্য জমা করা চামড়া গুলো। ছবি: ইত্তেফাক

অন্য ঈদে কোরবানি পশুর চামড়া কেনার জন্য গ্রামে-গঞ্জের ক্রেতার সমাগম থাকলেও এবারে ঈদুল আযহায় কোরবানি পশুর চামড়া বিক্রিতে দুর্গতি দেখা দিয়েছে। কোনো কোনো এলাকা ছিল ক্রেতা শূন্য। পশুর চামড়া বিক্রি করতে না পারায় বঞ্চিত হয়েছেন হত দরিদ্ররাও।

বিভিন্ন এলাকায় খবর নিয়ে জানা গেছে, প্রতিটি কোরবানিকৃত ছাগল-ভেড়ার চামড়া মুল্য ১০/২০ এবং প্রতিটি গরুর চামড়া ১০০/২০০ টাকা বিক্রি করাও ছিল দুষ্কর।

গৃহস্থ রফিকুল ইসলাম জানান, এবার কোরবানির পশু চামড়ার ক্রেতা নেই। পথ খরচসহ দুইজন ফকিরকে চামড়া দিতে গেছি। ফকিরও তা গ্রহণ করেনি। পরে এতিমখানায় দিয়েছি। কফিল মণ্ডল জানান, ঈদের দিন ক্রেতা না পেয়ে পরদিন কোরবানির পশুর চামড়া এতিমখানায় দিয়েছি।

এলাকায় চামড়া সংগ্রহকারীদের বৃহৎ প্রতিষ্ঠান জামেয়া হুছাইনিয়া কওমি মাদরাসা ও এতিমখানার সুপারিটেন্ডেন্ট মুফতি শামসুদ্দিন জানান, কিছু চামড়া এতিমখানায় দান করা হয়েছে। গরিব ছাত্রদের খাদ্য-পানীয় এবং লেখাপাড়ার খরচ যোগাতে কিছু চামড়া কেনা হয়েছিল। ক্রেতা না থাকায় ট্রাক ভর্তি চামড়া গুলো দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করেছে। উপায়ন্তর না পেয়ে মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে। এতে চামড়া সংগ্রহ এবং পুঁতে রাখার খরচটাই অপচয় হলো।

খাদিজাতুল কুবরা (রা) মহিলা মাদরাসা ও এতিমখানার তত্ত্বাবধায়ক মাও. রহমতুল্লাহ জানান, এতিমখানার জন্য চামড়া নিয়ে বিপাকে পড়েছি। তিনটি গরুর চামড়া একশ টাকা গাড়ি ভাড়া দিয়ে বাজারে নিয়ে তড়িঘড়ি করে চারশ টাকায় বিক্রি করেছি।

আরও পড়ুন: ঈদ আনন্দ শেষে বাড়ির ফেরার পথে ৩ কিশোর নিহত

এ ব্যাপারে এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন এবং বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার স্থানীয় শাখার যুগ্ম সম্পাদক অ্যাড. মঞ্জুরুল কবির ও অ্যাড আলতাফুর রহমান জানান, কোনো নীল নকশা বা ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারণে এমনটি ঘটছে কি না তা সরকারের খতিয়ে দেখা উচিত।

ইত্তেফাক/অনি

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
২০ আগস্ট, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন