ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় সংঘর্ষ, হিন্দুপাড়ার ২৫ বসতঘর ভাঙচুর

প্রকাশ : ১৭ আগস্ট ২০১৯, ১৮:১৫ | অনলাইন সংস্করণ

  ছাতক (সুনামগঞ্জ) সংবাদদাতা

ছাতকের জামুর হিন্দুপাড়ায় সংঘর্ষে আহত কয়েকজন। ছবি: ইত্তেফাক

ছাতকে জামুরা হিন্দু পাড়া এলাকার মেয়েদের ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ ২৫ জন আহত হয়েছেন। ভাঙচুর করা হয়েছেন জামুরা হিন্দু পাড়ার প্রায় ২৫টি বসতবাড়ি। গুরুতর আহত ছয়জনকে ভর্তি করা হয়েছে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

শুক্রবার (১৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের জামুরা হিন্দুপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 

স্থানীয়রা জানান, গত কয়েকদিন ধরে জামুরা গ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে এখলাছ, মামুন মিয়ার ছেলে ইসমাইল, যজ্ঞ দাসের ছেলে অপূর্ব দাসসহ কয়েকজন যুবক জামুরা হিন্দু পাড়া আখড়া এলাকায় আড্ডা দিতো। এ সময় তারা পাড়ার মেয়েদের লক্ষ্য করে অশালীন মন্তব্য ও আচরণ করত।  

বৃহস্পতিবার বিকেলে একইভাবে তারা আখড়া এলাকায় গিয়ে বখাটেপনা শুরু করলে গ্রামের রাজ কুমার দাসের ছেলে সন্তোষ দাস তাদের বাধা দেন। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সন্তোষকে তারা মারধর করে। এ ঘটনার জেরে উভয় পক্ষের লোকজন তুমুল সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। 

সংঘর্ষের এক পর্যায়ে ওই বখাটেদের পক্ষের লোকজনরা জামুরা হিন্দু পাড়ার ইউপি সদস্য প্রিয়বালা দাসের বসতঘরসহ ২০-২৫টি বসতঘর ভাঙচুর ও মারধর করে। প্রায় ঘণ্টা ব্যাপী সংঘর্ষে নারীসহ ২৫ ব্যক্তি আহত হয়। 

আরও পড়ুন: ঈদের ছুটিতে চলনবিলে পর্যটকদের ঢল

গুরুতর আহত অবস্থায় অতুল দাস (৪৫), রাজ কুমার দাস (২৩), শক্তি রানী দাস, সুমতি দাস (৩২), হাসান আহমদ (২৪), শাহজাহান (২৩) ও হাছন আলীকে (৩৮) সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিউটি দাস, আলোয় দাস, পরিতোষ দাস, রানু দাসসহ আহতদের ছাতক হাসপাতালে ভর্তি ও চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। 

ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তফা কামাল জানান, বাড়িঘরে হামলার ঘটনা দুঃখজনক। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। 

ইত্তেফাক/অনি