ঢাকা সোমবার, ২১ অক্টোবর ২০১৯, ৫ কার্তিক ১৪২৬
২৭ °সে


ভোমরা স্থলবন্দরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ১১৮৬ কোটি টাকা

ভোমরা স্থলবন্দরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ১১৮৬ কোটি টাকা
ভোমরা স্থলবন্দরে পণ্যবাহী গাড়ি। ছবি-সংগৃহীত

সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরে চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। জুলাই-জুন পর্যন্ত বারো মাসে ১ হাজার ১৮৬ কোটি ৬৭ লাখ টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে । ১৯৯৬ সালে ভোমরা স্থলবন্দরের যাত্রা শুরুর পর থেকে চলতি অর্থবছর এটাই সর্বোচ্চ রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

ভোমরা কাস্টমস শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব শাখা থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী জানা গেছে, চলতি অর্থবছরের জুলাই-জুন মাস পর্যন্ত রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ হাজার ১৮৬ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে জুলাইয়ে ৭২ কোটি ৪ লাখ, আগস্টে ৯২ কোটি ৮৮ লাখ, সেপ্টেম্বরে ৬৭ কোটি ৭১ লাখ, অক্টোবরে ৯১ কোটি ৯৫ লাখ, নভেম্বরে ১২০ কোটি ৪৩ লাখ, ডিসেম্বরে ১১৪ কোটি ৫৮ লাখ, জানুয়ারিতে ১৩৩ কোটি ৮০ লাখ, ফেব্রুয়ারীতে ১৫১ কোটি ৮৬ লাখ, মার্চে ১৪২ কোটি ৭৩ লাখ, এপ্রিলে ৯৯ কোটি ৬৩ লাখ, মে’তে ৫৬ কোটি ৪৯ লাখ এবং জুনে ৪২ কোটি ২৮ লাখ টাকা। যা গত অর্থবছরের তুলনায় ১৫৩ কোটি ৬৭ লাখ টাকা বেশি।

২০১৮-১৯ অর্থ বছরে এ বন্দরটিতে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ১ হাজার ৩৩ কোটি টাকা। এ সময় আদায় হয়েছে ১ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

এদিকে, চলতি অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা সামনে রেখে গত দুই মাসে রাজস্ব আদায় হয়েছে ১০১ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। তবে দুই মাসের লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে ৬৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা ঘাটতি রয়েছে। সূত্রটি আরও জানায়, চলতি অর্থবছরের জুলাই-আগস্ট মাসের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ১৬৪ কোটি ৯২ লাখ টাকা। সেখানে অর্জিত হয়েছে ১০১ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। এখনও ঘাটতি রয়েছে ৬৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা।

ভোমরা স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট ব্যবসায়ী এসোসিয়শনের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম জানান, বন্দরটি শুরুর পর থেকে চলতি অর্থবছর সর্বোচ্চ রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এখানকার ব্যবসায়ীরা যদি নির্ধারিত সকল পণ্য আমদানির সুযোগ পায় তাহলে এই লক্ষ্য মাত্রা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশা করছেন তিনি।

ভোমরা শুল্ক স্টেশনের নবাগত সহকারী কমিশনার প্রনয় চাকমা জানান, পণ্য আমদানি-রপ্তানি ভালো হলে আশা করা যাচ্ছে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য মাত্রা অর্জিত হবে। তিনি আরও জানান, গত দুই মাসের ঘাটতি কাটিয়ে উঠে যাতে উল্লেখযোগ্য হারে রাজস্ব অর্জন হয় সে জন্য সর্বাত্মকভাবে চেষ্টা করা হচ্ছে।

ইত্তেফাক/কেআই

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
২১ অক্টোবর, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন