নির্বাচনী প্রচারণায় আওয়ামী লীগ-বিএনপি সংঘর্ষ, নিহত ১

প্রকাশ : ১১ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৯:২৫ | অনলাইন সংস্করণ

  নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালী। ছবি: সংগৃহীত

নোয়াখালী সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নের পূর্ব চরশুল্লুকিয়া গ্রামে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তি হলেন ওই ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হানিফ (২৮)।

এ ঘটনায় আহত হন আওয়ামী লীগ কর্মী নূরুল ইসলাম। তাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল ভর্তি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। রাত পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। অভিযুক্তদের আটক করতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী মো. শাহজাহানের পক্ষে প্রচারণার জন্য পূর্ব চরশুল্লুকিয়া গ্রামের বিএনপি কর্মী রিজভীর বাড়িতে বৈঠক চলছিল। বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে বৈঠক চলাকালে একই আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী একরামুল করিম চৌধুরীর পক্ষে দলীয় নেতাকর্মীরা ওই বাড়ির সামনে দিয়ে মিছিল নিয়ে যাচ্ছিল।

এক পর্যায়ে দুই দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে। এসময় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিএনপির কর্মীরা প্রতিপক্ষের দিকে মরিচের গুড়া ছুঁড়ে মারে। যুবলীগ নেতা হানিফের চোখে মরিচের গুড়া পড়লে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। মাটিতে পড়ে গেলে বিএনপি কর্মীরা ইট দিয়ে তাকে এলোপাথাড়ি আঘাত করতে থাকেন। এরপর তার পায়ে গুলি করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা জানান, আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। নিহত হানিফ পূর্ব চরশুল্লুকিয়া গ্রামের মফিজ উল্লাহর ছেলে।

আরো পড়ুন: এলিয়েনরা আমাদের আশেপাশে ঘুরছে!

সুধারাম থানার ওসি আনোয়ার হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে দলীয় প্রার্থী একরামুল করিম চৌধুরী এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে বলেন, এ ঘটনা ঘটিয়েছে বিএনপি-জামায়াতের ক্যাডার বাহিনী। নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার জন্য তারা পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে যুবলীগ নেতাকে হত্যা করেছে। হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবি জানান তিনি।

ইত্তেফাক/জেডএইচ