ফরিদপুরে বিএনপির হামলায় আওয়ামী লীগ নেতা নিহত

প্রকাশ : ১২ ডিসেম্বর ২০১৮, ০০:১৫ | অনলাইন সংস্করণ

  ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুরে বিএনপির হামলায় আওয়ামী লীগ নেতা নিহত। ছবিঃ ইত্তেফাক।

নির্বাচনী সহিংসতায় ফরিদপুর-৩ (সদর) আসনে এক আওয়ামী লীগ কর্মী নিহত হয়েছেন। নিহতের নাম ইউসুফ আল মামুন। তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশররাফ হোসেনের কর্মী। পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে তাকে। তিনি নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, 'সন্ধ্যার পর চায়ের দোকানে বসে রাজনৈতিক আলাপ আলোচনা করছিলেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ইউসুফ আল মামুন। এক পর্যায়ে বিএনপির সমর্থকরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ কথা বলতে থাকেন। এর প্রতিবাদ করেন মামুন। বাধে তর্ক।

এক পর্যায়ে মামুনের উপর চড়াও হন বিএনপির সমর্থকরা। ক্রমাগত পেটানো হয় তাকে। তাকে বাঁচাতে গিয়ে আহত হন স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি লালন ফকিরও।'

এই ঘটনায় সমর্থকদের শান্ত থাকার অনুরোধ করেছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশররাফ হোসেন। তিনি বলেছেন, 'হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।'

জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মৃধা বলেছেন, ‘এই হামলার মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পরিবেশকে বিএনপি অশান্ত করার চেষ্টা করেছে। এই ধরনের ঘটনার নিন্দা জানাই এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করি।’

বিএনপি সমর্থিত নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোশতাকুজ্জামান বলেন, ‘ইউসুফের সঙ্গে মজিদ নামে একজন চা খাচ্ছিলেন। তিনি বিএনপির সমর্থক, তবে কোনো পদে নেই। সে এক পর্যায়ে শেখ হাসিনাকে নিয়ে কটুক্তি করে। ইউসুফ ঘটনার প্রতিবাদ করলে দুই জনের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি শুরু হয়।

এই খবর পাওয়ার পর মজিদের স্বজনরা আশেপাশের এলাকা থেকে এসে দোকানের ঝাপ দিয়ে ইউসুফকে পেটায়। এতে মারা যান তিনি।’  

আরও পড়ুনঃ নির্বাচনী প্রচারণায় আওয়ামী লীগ-বিএনপি সংঘর্ষ, নিহত ১

ফরিদপুর কোতয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বিপুল চন্দ্র দেব বলেন, ‘আমরা ঘটনা শুনেছি। এলাকায় পুলিশ পাঠানো হয়েছে।’

ইত্তেফাক/নূহু