বেটা ভার্সন
আজকের পত্রিকাই-পেপার ঢাকা রোববার, ১২ জুলাই ২০২০, ২৮ আষাঢ় ১৪২৭
২৯ °সে

লিবিয়ায় আমিরাতের ড্রোন হামলায় শিশুসহ নিহত ১৬

খলিফা হাফতার সরকারের সমর্থনে এই হামলা হয়েছে
লিবিয়ায় আমিরাতের ড্রোন হামলায় শিশুসহ নিহত ১৬
ছবি- আল জাজিরা।

লিবিয়ায় খলিফা হাফতার নেতৃত্বাধীন সরকারের সমর্থনে সংযুক্ত আরব আমিরাতের চালানো ড্রোন হামলায় অন্তত ১৬ জনের প্রাণহানির ঘটেছে। নিহতদের মধ্যে নয় শিশু ও এক গর্ভবতী নারী রয়েছেন। খবর আল জাজিরা’র।

লিবিয়ার মারজুক শহরের একটি বাড়িতে আমিরাতের ড্রোন হামলায় দুই নারী, নয় শিশুসহ ১৬ জন নিহত হন। দেশটিতে জাতিসংঘের স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সরকারি জোটের (জিএনএ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট থেকে রবিবার এই হামলার তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। শহরের একটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করে বলেছে, ৯ শিশু ও দুই নারীর মরদেহ সেখানে আনা হয়েছিল। গত নভেম্বরে লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির কাছের একটি বিস্কুট কারখানায় হামলা চালায় সংযুক্ত আরব আমিরাত। এতে ওই কারখানার অন্তত সাত শ্রমিক নিহত ও আরও ১৫ জন আহত হন।

জিএনএ কমান্ডার খলিফা হাফতার নেতৃত্বাধীন সরকারকে আরব আমিরাত সমর্থন দিয়ে আসছে বলে অভিযোগ উঠলেও দেশটি তা অস্বীকার করেছে। গত ৪ এপ্রিল লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় বাহিনীর নেতা হাফতার রাজধানী ত্রিপোলিতে অভিযান চালিয়ে শহরটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেন।

জাতিসংঘের তথ্য বলছে, হাফতার বাহিনীর ওই অভিযান শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত এক হাজারের বেশি মানুষ নিহত ও আরও পাঁচ হাজারের বেশি আহত হয়েছেন।

আরও পড়ুন: মার্কিন নৌবাহিনীর হংকং প্রবেশে চীনের নিষেধাজ্ঞা

২০১১ সালে লিবিয়ার সাবেক নেতা মুয়াম্মার আল গাদ্দাফির মৃত্যুর পর দেশটির শাসন ক্ষমতা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে গেছে। এর মধ্যে একটি পক্ষ মিসর এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মদদপুষ্ট লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলের হাফতার বাহিনী। অন্য পক্ষ হলো জাতিসংঘের স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ত্রিপোলি সরকার। একে জাতীয় ঐকমত্যের সরকার বা জিএনএ নামে অভিহিত করা হয়। তবে দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ বিভিন্ন বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর হাতে রয়ে গেছে। পশ্চিমাঞ্চলে জিনএনএ’র কর্তৃত্ব থাকলেও পূর্ব ও দক্ষিণের বেশিরভাগ অঞ্চল হাফতার বাহিনী এলএনএ’র দখলে। গত এপ্রিলে এ বাহিনী লিবিয়ায় আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

ইত্তেফাক/এসইউ

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত