ঢাকা রবিবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২০, ১৩ মাঘ ১৪২৭
১৩ °সে

ত্রিমুখী ভালবাসায় জাপানি পেঙ্গুইনদের ঘটনাবহুল জীবন!

ত্রিমুখী ভালবাসায় জাপানি পেঙ্গুইনদের ঘটনাবহুল জীবন!
জাপানের কিয়োটা অ্যাকুরিয়ামে বাস করা পেঙ্গুইন। ছবি: সিএনএন।

ত্রিমুখী ভালবাসা, মান অভিমান ও বিচ্ছেদের আগুনে পুড়ে ছারখার জাপানি পেঙ্গুইনদের জীবন! কথাগুলো শুনে যে কোন টিভি সোপ অপেরার কথা মনে হতে পারে, কিন্তু বাস্তবে জাপানের কিয়োটা অ্যাকুরিয়ামে বাস করা পেঙ্গুইনদের সম্পর্কের গল্প এটি। তাদের ভালবাসা ও বিচ্ছেদের কাহিনী গতবছরও মন কেড়েছিল দর্শকদের। আর সে কারণেই এবার অ্যাকুরিয়াম কর্তৃপক্ষ তাদের পরস্পরের সম্পর্ক নিয়ে তৈরি করেছে একটি ম্যাপ!

অরিক্স গ্রুপের এই অ্যাকুরিয়ামটির মুখপাত্র শোকো ওকুদা জানায়, ‘পেঙ্গুইনদের জীবনযাপন আমাদের মানুষদের মতই। তাদের প্রত্যেকের নিজস্বতা রয়েছে, তাদের সম্পর্কেও রয়েছে নিজস্বতার প্রভাব। গত বছর পেঙ্গুইনদের ম্যাপ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ জনপ্রিয়তা পায়। আর সে কারণেই এ বছরও আমরা ম্যাপ প্রকাশ করেছি।

কিছু কিছু পেঙ্গুইনের খুব বাজে স্বভাব থাকার পরও এবারের রিলেশন ম্যাপকে ‘সুন্দর ও সুখী’ বলে ঘোষণা করেছে কিয়োটা অ্যাকুরিয়াম।

এই ম্যাপে পেঙ্গুইনদের সম্পর্কের পাঁচটি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে প্রকাশ করা হচ্ছে। এখানে লাল রেখা দিয়ে প্রকাশিত ‘হৃদয়’ চিহ্নটি বর্তমান ভালবাসার সম্পর্ককে নির্দেশনা করছে এবং ‘ভাঙ্গা হৃদয়’ যুক্ত নীল লাইন প্রকাশ করছে কার সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়েছে। প্রশ্নবোধক চিহ্ন দিয়ে যে বেগুনি রঙের লাইনে ‘হৃদয়’ চিহ্ন দেয়া, তার অর্থ তাদের সম্পর্ক বেশ জটিল অবস্থায় রয়েছে যা বন্ধুত্বের থেকেও বেশি কিছু। হলুদ লাইন বন্ধুত্বের চিহ্ন এবং সবুজ লাইন শত্রুর।

ত্রিমুখী ভালবাসায় জাপানি পেঙ্গুইনদের ঘটনাবহুল জীবন!

ওকুদা বলেন, ‘প্রতিদিন পেঙ্গুইনগুলোর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব থাকা আমাদের কর্মীরা এই সম্পর্ক পর্যালোচনা করে তৈরি করেছেন। তাদেরকে বেশ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। এটি দেখাচ্ছে কাদের মধ্যে গভীর ভালবাসার সম্পর্ক রয়েছে এবং কাদের সম্পর্কে ফাটল দেখা দিয়েছে।’

এই পেঙ্গুইনদের মধ্যে বর্তমানে তারকা খ্যাতি অর্জন করেছে তেরা নামের নারী পেঙ্গুইন। এখন পর্যন্ত ছয় জনের হৃদয় ভেঙ্গেছে সে। সে বর্তমানে অরি নামের এক পেঙ্গুইনের সঙ্গে সম্পর্ক জড়িয়ে আছে।

আরেকটি জনপ্রিয় পেঙ্গুইন জুটি দাদা গামা এবং নাতনি সায়া। জানা যায়, দাদা গামার বোনের নাতনি সায়া। গামার বয়স ১৭। অ্যাকুরিয়ামের সবচাইতে পুরাতন পেঙ্গুইনদের একজন সে। এ জাতীয় পেঙ্গুইন সাধারণত ২০ বছর বাঁচে। সব মিলিয়ে বলা যায় এক মহা ফ্যামিলি ড্রামার কেন্দ্রস্থলে পরিণত হয়েছে কিয়োটা অ্যাকুরিয়াম। সিএনএন।

ইত্তেফাক/আরএ

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
icmab
facebook-recent-activity
prayer-time
২৬ জানুয়ারি, ২০২০
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন