সন্ত্রাস দমনে ব্যর্থতায় পিপিপি নেতাদের তোপের মুখে ইমরান সরকার

সন্ত্রাস দমনে ব্যর্থতায় পিপিপি নেতাদের তোপের মুখে ইমরান সরকার
ইমরান খান। ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) সিনিয়র নেতারা মঙ্গলবার ইমরান খানের সরকারের প্রশাসনিক ক্ষেত্রে ব্যর্থতা নিয়ে সমালোচনার ঝড় তুলেছেন। যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে,পাকিস্তানের মুদ্রাস্ফীতি এবং পাকিস্তান ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্সের (এফএটিএফ) ধূসর তালিকা থেকে বের হতে পারেনি। ২৭টি অ্যাকশন পয়েন্টের শর্ত পূরণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় পাকিস্তানকে 'ধূসর তালিকায় রাখা হয়েছে।

ইসলামাবাদে এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) সরকারের কথিত ব্যর্থতার তালিকা দেওয়ার সময় পিপিপির সিনেটর শেরি রেহমান পিটিআই এর নেতাদের "পাকিস্তান কে চালাচ্ছে?" বলে প্রশ্ন ছুড়ে দেয় ।

তিনি আরো বলেন "দেশটি এখনও ধূসর তালিকায় রয়েছে এবং তারা পাকিস্তানের মানুষদের বোকা বানাচ্ছে। তাবিহী সরকারের শাসন ব্যবস্থা পাকিস্তান কে কেবল ধ্বংসের দিকেই নিয়ে যাচ্ছে।

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত এই তালিকাভুক্তই থাকতে হবে পাকিস্তানকে একথা জানিয়ে দিয়েছে এফএটিএফ। খাদ্য সামগ্রীর দাম বৃদ্ধির বরাত দিয়ে সিনেটর উল্লেখ করেন, যদিও এই মুহূর্তে দেশের আসল সমস্যা হচ্ছে মুদ্রাস্ফীতি কিন্তু কেউই এ নিয়ে কথা বলছেনা কারণ সরকার সবাইকে তাদের নিয়ন্ত্রণে বস করে রেখেছে। তিনি আরো বলেন, কীভাবে দেশকে অর্থনৈতিক সঙ্কট থেকে বের করে আনবে এই প্রশ্নের জবাব দিতে হবে সরকারকে।

পিপিপি নেতারা ইমরান সরকার কে তাচ্ছিল্য করে বলেন, "সংসদকে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক করার চেষ্টা করছে ইমরান সরকার”। সংবাদ সম্মেলনে রেহমান সরকারের অজ্ঞতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, সাংবাদিক দের বাক স্বাধীনতা দেয়া হচ্ছে না। প্রতিদিন সাংবাদিকরা কোথাও না কোথাও হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এর দায়ভার সম্পূর্ণ সরকারের কাঁধে পড়ে।

২০১৮ সালের জুন মাসে পাকিস্তানকে ধূসর তালিকাভুক্ত করা হয়। সেই সাথে তাদের নির্দেশ দেওয়া হয় ২০১৯ সালের মধ্যে সন্ত্রাসে আর্থিক মদত দেওয়া ও আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ থেকে মুক্ত হতে অ্যাকশন প্ল্যানগুলি মেনে চলতে। পরে করোনা পরিস্থিতিতে এই ডেডলাইন পরে আরও বাড়িয়ে দেওয়া হয়। তাতেও সেই শর্তাবলি পূরণ করতে পারেনি পাকিস্তান সরকার।

ইত্তেফাক/এএইচপি/এসআই

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত