ঢাকা সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬
৩১ °সে


বিশাল বেতনের চাকরি তবু মিলছে না প্রার্থী!

বিশাল বেতনের চাকরি তবু মিলছে না প্রার্থী!
ইস্ট ব্রাদার লাইট স্টেশন’র গেস্ট হাউজ। ছবি: সিএনএন

বর্তমান বিশ্বের উন্নত, উন্নয়নশীল ও স্বল্পোন্নত দেশগুলোতে বেকার সমস্যা দিন দিন জটিল আকার ধারণ করছে। হন্যে হয়ে চাকরি খুঁজছে শিক্ষিত তরুণ-তরুণীরা। অথচ চাকরির এই আকালের বাজারে এক লাখ ৩০ হাজার ডলারের দারুণ লোভনীয় চাকরির জন্য দুইজন প্রার্থী খুঁজছে একটি প্রতিষ্ঠান! পুরো বেতন দুই জনের মধ্যে ভাগাভাগি হবে। বিশাল অঙ্কের বেতনের এই চাকরি পেতে হলে অবশ্য আপনার নির্দিষ্ট কিছু যোগ্যতা থাকতে হবে।

ক্যালিফোর্নিয়ার একটি দ্বীপে অবস্থিত ‘ইস্ট ব্রাদার লাইট স্টেশন’র গেস্ট হাউজের দেখভালের জন্যই দুই জন দক্ষ লোকের সন্ধান করছে কর্তৃপক্ষ। স্যান ফ্রান্সিসকো বে’র স্যান পাবলো বে’তে অবস্থিত বাতিঘরটি। চাকরি প্রার্থীদের যেসব যোগ্যতা থাকতে হবে তার মধ্যে অন্যতম প্রার্থীর আতিথেয়তা বিষয়ক বিশদ অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। একই সঙ্গে সমুদ্রভ্রমণ এবং সমুদ্রেঘেরা পরিবেশে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার মানসিকতা থাকতে হবে। পরিবার-পরিজন ছেড়ে বাতিঘরের মতো নির্জন পরিবেশে থাকার অভিজ্ঞতা থাকা অত্যাবশ্যক।

তবে সবচেয়ে জটিল যোগ্যতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রার্থীর অবশ্যই মার্কিন কোস্ট গার্ড কমার্শিয়াল বোট অপারেটর লাইসেন্স থাকতে হবে। দুঃখের বিষয়, আগ্রহী প্রার্থীদের বেশিরভাগেরই এই লাইসেন্সটি নেই। আরো বড় দুঃসংবাদ হলো, কেউ চাইলেই যখন-তখন এই লাইসেন্স অর্জন করতে পারে না। ভূখণ্ড থেকে কোনো অতিথিকে দ্বীপে নিয়ে আসার জন্য ফেরি চালানোর দক্ষতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, এসব কারণেই এই লাইসেন্স থাকাটা খুবই জরুরি।

আরো পড়ুন: লোকসভায় বিজেপি এবার ১২৫ আসনের বেশি পাবে না: মমতা

অবকাশ যাপনের জন্য ভ্রমণ পিপাসুদের কাছে ইস্ট ব্রাদার লাইট স্টেশন’র গেস্ট হাউজের বিশেষ চাহিদা রয়েছে। স্যান ফ্রান্সিসকোতে চলাচলকারী নাবিকদের সাহায্য করার লক্ষ্যে ১৮৭৪ সালে চালু করা হয় ইস্ট ব্রাদার লাইট স্টেশনটি। ১৯৬০ সালে বাতিঘরটিতে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির সংযোজন করা হয়। এখনো বহাল তবিয়তে চলছে মার্কিন কোস্ট গার্ডের মালিকানাধীন বাতিঘরটি। ১৯৭৯ সাল থেকে বাতিঘরটি পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছে অলাভজনক সংস্থা ইস্ট ব্রাদার লাইট স্টেশন ইনকরপোরেশন। তখন থেকেই এই বাতিঘরে অতিথি আপ্যায়নের ব্যবস্থা করে আসছে সংস্থাটি।

ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত রিচমন্ড’র মেয়র টম বাট বলেন, এই বাতিঘরটির সঙ্গে গত ৪০ বছর ধরে যুক্ত আছি আমি। প্রথম যখন এটির দায়িত্ব নেওয়া হয়েছিল তখন অনেকটাই পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়েছিল। এরপর সেটিকে সংস্কার করে অতিথিদের জন্য উপযোগী করে তোলা হয়।

বাতিঘরের অবকাশ যাপনের সুযোগ সুবিধা সম্পর্কে তিনি বলেন, এটি সত্যিই অনন্য একটি জায়গা। এখানে আগত অতিথিদের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার জন্য আমরা বদ্ধপরিকর। এ কারণেই এখানে যাদের নিয়োগ দেওয়া হবে তাদের বাড়তি যোগ্যতাসম্পন্ন হতে হবে। আর এই সব গুণাবলী থাকলেই কেবল এখানে চাকরি মিলবে।-সিএনএন।

ইত্তেফাক/মোস্তাফিজ

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
২২ জুলাই, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন