২০০১ ভারতীয় সংসদ হামলা

সন্ত্রাসবাদ যখন গণতন্ত্রকে গ্রাস করে

সন্ত্রাসবাদ যখন গণতন্ত্রকে গ্রাস করে
ছবি : সংগৃহীত।

২০০১ সালে কাপুরুষের মতো সংসদে হামলা চালিয়েছিল জঙ্গিরা। ভারতের ইতিহাসে একটা কালো দিন ২০০১ সালের সংসদ হামলা। তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকা প্রবীণ ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতা এল কে আদভানি এই হামলাটিকে “সবচেয়ে দু: সাহসী, এবং সন্ত্রাসবাদের সবচেয়ে উদ্বেগজনক কাজ” বলে অভিহিত করেছেন।

২০০১ সালে ১৩ ডিসেম্বর সকালে ঘটেছিল সেই ভয়ঙ্কর ঘটনা। এই দিনে, লস্কর-ই-তৈয়বা এবং জয়শ-ই-মোহাম্মদ সন্ত্রাসীদের সমন্বয়ে গঠিত পাঁচ সদস্যের আত্মঘাতী জঙ্গি সংসদ ভবনে অনুপ্রবেশ করে হামলা চালিয়েছিল। জঙ্গিদের গুলিতে প্রাণ হারান রাজ্যসভার পার্লামেন্ট সিকিউরিটি সার্ভিসের ২ জওয়ান। সিআরপিএফের এক মহিলা কনস্টেবল, এবং দিল্লি পুলিসের ৫ জন শহিদ হয়েছিলেন জঙ্গিদের গুলিতে। যদিও জঙ্গিরা বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারেনি।

বিজেপি নেতা এল কে আদভানি লোকসভায় বলেন এই হামলাটি “পাকিস্তান-ভিত্তিক এবং সমর্থিত সন্ত্রাসী সংগঠন, যথা লস্কর-ই-তৈয়বা এবং জয়শ-ই-মোহাম্মদ যৌথভাবে চালিয়েছিল। এই দুটি সংস্থা পাক আইএসআইয়ের সমর্থন ও পৃষ্ঠপোষকতা অর্জন করার জন্য পরিচিত। ”

সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, ২০০১ সালে আমাদের সংসদে কাপুরুষোচিত আক্রমণ আমরা কোনও দিনও ভুলব না। সংসদ রক্ষায় যেসব বীর প্রাণ দিয়েছিল তাদের বীরত্ব আর ত্যাগের কথা স্মরণ করে নরেন্দ্র মোদী তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন শহিদদের। টুইটে রাজনাথ সিং লিখেছেন, ২০০১ সালে পাক জঙ্গিদের সব প্রচেষ্টা বানচাল করেছিল ভারতের বীর সেনারা। তাঁদের আত্মবলিদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে দেশের ইতিহাসে।

দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক গিলানিকে ২০০৩ সালে দিল্লি উচ্চ আদালত দ্বারা “প্রমাণের প্রয়োজনে” খালাস দেওয়া হয়েছিল, ২০০৫ সালে সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত বহাল ছিল। আফসান গুরুকেও অভিযোগ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল এবং হুসেনক কারাভোগ করেছিলেন। ২০১৩ সালে আফজাল গুরুকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল।

ইত্তেফাক/এএইচপি

Nogod
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত