জাতীয় নিরাপত্তার নামে মৌলিক স্বাধীনতা হরণ করছে চীন

জাতীয় নিরাপত্তার নামে মৌলিক স্বাধীনতা হরণ করছে চীন
 জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল বাচলেট।

জাতীয় নিরাপত্তার নামে জিনজিয়াংয়ে উইঘুর মুসলিম এবং হংকংয়ে ধরপাকড় চালিয়ে চীন মৌলিক স্বাধীনতাকে হরণ করছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল বাচলেট। শুক্রবার তিনি এমন মন্তব্য করেন।

মিশেল এক বিবৃতিতে বলেছেন, এ বিষয়ে স্বাধীন একটি মূল্যায়ন প্রয়োজন। তিনি আশা করছেন, জিনজিয়াং ভ্রমণে যেতে চীনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌছাতে পারবেন।

সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলিমদের সঙ্গে চীন সরকারের আচরণকে গণহত্যা বলে জানিয়েছে নেদারল্যান্ডসের পার্লামেন্ট। বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) নেদারল্যান্ডের পার্লামেন্টে পাশ হওয়া এক প্রস্তাবনায় একথা বলা হয়। ইউরোপের প্রথম দেশ হিসেবে নেদারল্যান্ডস এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বলে রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকার কর্মীর জানিয়েছেন, কমপক্ষে এক মিলিয়ন মুসলিমকে জিনজিয়াংয়ে বন্দী করে রাখা হয়েছে। পশ্চিমা বিশ্ব ও মানবাধিকার কর্মীরা চীনের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘন, নির্যাতন, বাধ্যতামূলক শ্রম ও জাতিগত নিধনের অভিযোগ এনেছে।

এদিকে গত সোমবার চীনে উইঘুর মুসলিমদের প্রতি যে আচরণ করা হচ্ছে তাকে গণহত্যা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিহিত করে ভোট দিয়েছে কানাডার হাউজ অফ কমন্স।প্রস্তাবটি ২৬৬-০ ভোটে পাস হয় যেখানে বিরোধী দলের সবাই এবং ক্ষমতাসীন লিবারেল পার্টির কিছু অংশ ভোট দেন।

বিবিসিসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানাচ্ছে , চীনের জিনজিয়াং কর্তৃপক্ষ তাদের পুনঃশিক্ষা কর্মসূচির নামে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে লাখ লাখ সংখ্যালঘু মুসলমানকে বিভিন্ন ক্যাম্পে আটক করে তাদের উপর ধর্মীয় নিপীড়ন চালিয়ে আসছে ও নানা হয়রানি করছে।অন্যদিকে চীন বলছে, এসব ক্যাম্পে আগতদের যে ‘বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ’ দেওয়া হচ্ছে, তা জিনজিয়াংয়ে উগ্রবাদ ও বিচ্ছিন্নতাবাদ মোকাবেলার জন্য জরুরি।

ইত্তেফাক/এআর

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
আরও
আরও
x