খাশোগি হত্যায় মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন

রহস্যজনকভাবে তিন জনের নাম বাদ, সমালোচনা

রহস্যজনকভাবে তিন জনের নাম বাদ, সমালোচনা
ছবি: সংগৃহীত

ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকার কলামিস্ট জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ডে মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, প্রথম প্রতিবেদনটি বাদ দিয়ে দ্বিতীয় প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। এই প্রতিবেদনে রহস্যজনকভাবে তিন জনের নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত শুক্রবার নতুন প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। এদিকে খাশোগির বাগদত্তা দ্রুত সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের শাস্তি দাবি করেছেন। খবর রয়টার্স ও আলজাজিরার

আগের প্রতিবেদনে খাশোগি হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। কিন্তু রহস্যজনকভাবে ঐ প্রতিবেদনের বদলে নতুন প্রতিবেদনে তিন জনের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যাও দেওয়া হয়নি। অথচ আগের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল যে, ঐ তিন ব্যক্তিও হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। কিন্তু তাদের নাম কেন হঠাত্ করে বাদ দেওয়া হলো তা জানা যায়নি।

গোয়েন্দা প্রতিবেদন প্রকাশের পর ৭৬ সৌদি নাগরিকের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু সেই তালিকায় সৌদি যুবরাজের নাম না থাকায় সমালোচনা শুরু হয়। তবে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সৌদি আরবে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হওয়ার কারণে যুবরাজের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্রে অফিস অব দ্য ডিরেক্টর অব ন্যাশনাল ইন্টিলিজেন্সের (ওডিএনআই) প্রথম প্রতিবেদনটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এর দ্বিতীয় সংস্করণে তিন জনের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এর আগের প্রতিবেদনে খাশোগি হত্যায় অংশ নেওয়া, হত্যার নির্দেশ বা এর সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে ওই তিন জনের নাম প্রতিবেদনে এসেছিল। প্রথম প্রতিবেদনে তাদের নাম আসার কারণও জানা যায়নি। এ বিষয়ে ওডিএনআই এর পক্ষ থেকে স্পষ্ট কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। তবে ওডিএনআই এর মুখপাত্র জানিয়েছেন, আমরা খাশোগি হত্যাকাণ্ডের সংশোধিত প্রতিবেদনটি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছি। কারণ প্রথম প্রতিবেদনে ঐ তিনজনের নাম ভুলভাবে এসেছিল। এদিকে খাশোগির বাগদত্তা হাতিস চেঙ্গিস দেরি না করে দ্রুত যুবরাজকে শাস্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। ২০১৮ সালে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি আরবের কনস্যুলেটে খাশোগিকে হত্যা করা হয়। তার মৃতদেহ এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি।

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
আরও
আরও
x