মিয়ানমারে সংবাদমাধ্যম সব দিক থেকেই চাপে

মিয়ানমারে সংবাদমাধ্যম সব দিক থেকেই চাপে
ছবি: সংগৃহীত

সামরিক সরকার গ্রেফতার করছে সাংবাদিকদের। দিচ্ছে নিষেধাজ্ঞা। চাপ আছে বিরোধী পক্ষ থেকেও। এমন চাপের মুখেও কাজ করে যাচ্ছেন মিয়ানমারের অনেক সাংবাদিক।

গত ১ ফেব্রুয়ারি নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতা দখলে নেয় মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। তারপর থেকে চলছে বিরোধীদের দমন। একই সঙ্গে অবাধ তথ্যপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টাও চালিয়ে যাচ্ছে সেনাশাসক। একে একে ফেসবুক, ফেসবুক মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ, টুইটার ও ইনস্টাগ্রামের ব্যবহার সীমিত করা হয়েছে। ফেসবুকের ওপর এমন নিয়ন্ত্রণ অবাধ তথ্যপ্রবাহের বড় অন্তরায়, কেননা দেশটির অর্ধেক লোক তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সামাজিক যোগাযোগের এ মাধ্যমটিই ব্যবহার করে। কিন্তু মিয়ানমারে ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে চলছে ইন্টারনেটের ওপর নিষেধাজ্ঞা। রাত ১ টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত থাকে এ নিয়ন্ত্রণ। আর গত ১৫ মার্চ থেকে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ। যদিও গত কয়েক দিন ধরে রাতের এ নিষেধাজ্ঞা আর দেওয়া হচ্ছে না, তবে দেশটির অধিকাংশ মানুষ সেনা নিয়ন্ত্রিত ৃমাধ্যম থেকেই সংবাদ পেয়ে থাকে। খবর ডয়চেভেলে।

তথ্য প্রদানের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহূত হচ্ছে রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত এমআরটিভি। চ্যানেলটিতে নিয়মিত বিক্ষোভের ছবি দেখিয়ে বিক্ষোভকারীদের ‘দেশের শত্রু’ বলা হচ্ছে। রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত সংবাদপত্র দ্য গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমার প্রতিনিয়ত সামরিক শাসনের প্রয়োজনীয়তা ও এর পক্ষে সাফাই গেয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করছে। তথ্য পাওয়ার অন্যান্য মাধ্যম, অর্থাত্ বেসরকারি সংবাদমাধ্যমগুলোকে করা হয়েছে নিষিদ্ধ।

ইত্তেফাক/টিএ

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
আরও
আরও
x