ইরানের পরমাণু আর্কাইভ থেকে নথি চুরি করেছিল মোসাদ 

ইরানের পরমাণু আর্কাইভ থেকে নথি চুরি করেছিল মোসাদ 
মোসাদ প্রধানের দায়িত্ব থেকে সদ্য বিদায় নেয়া ইয়োসি কোহেন। ছবি (সংগৃহীত)।

ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ প্রধানের দায়িত্ব থেকে সদ্য বিদায় নেয়া ইয়োসি কোহেন সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে ইরানের পরমাণু আর্কাইভ থেকে কীভাবে নথিপত্র চুরি করা তার বিস্তারিত তুলে ধরেছেন।

ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসির বরাতে জানা যায়, ইয়োসি কোহেন জানান, ২০১৮ সালে অভিযান চালিয়ে ঐ আর্কাইভ থেকে হাজার হাজার নথিপত্র চুরি করে ইসরায়েল নিয়ে আসা হয়।

No description available.

ইরানের নাতাঞ্জ পারমাণবিক কেন্দ্রে নাশকতা এবং ইরানের শীর্ষ পরমাণু বিজ্ঞানীর হত্যার পেছনে ইসরায়েলি সম্পৃক্ততা রয়েছে বলেও তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন।

২০১৮ সালে একটি সংবাদ সম্মেলনে চুরি যাওয়া এসব নথির কথা উল্লেখ করে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু বলেছিলেন, ইরান একবার গোপনে পরমাণু অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করেছে এবং অস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি তাদের আছে। কিন্তু ইরান বরাবরই সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

নাতাঞ্জ পারমাণবিক স্থাপনাটি ইরানের রাজধানী তেহরানের দক্ষিণে মরুভূমি এলাকায় অবস্থিত। তেল আবিবের একটি কমান্ড সেন্টার থেকে ঐ অভিযানের নজরদারি করেন মোসাদ প্রধান। এজেন্টরা ওয়্যারহাউজের ভেতরে প্রবেশ করে ৩০টির বেশি সিন্দুক ভাঙ্গে।

No description available.

২০২০ সালের জুলাই মাসের ঐ নাশকতার ঘটনায় নাতাঞ্জ পারমাণবিক কেন্দ্রের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ অংশে আগুন লাগে। এই বছরের এপ্রিল মাসে নতুন সরঞ্জাম সংযোজনের পরদিনই কর্মকর্তারা জানান, সেখানে আবার নাশকতার ঘটনা ঘটেছে এবং বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

ইত্তেফাক/এএইচপি

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
আরও
আরও
x