ই-বর্জ্যজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পাকিস্তান

ই-বর্জ্যজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পাকিস্তান
ছবি: সংগৃহীত।

বাতিল হওয়া টিভি, ফ্রিজ, কম্পিউটার, মুঠোফোন, বিদ্যুৎসাশ্রয়ী বাতিসহ বিভিন্ন বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ইলেকট্রনিকস বর্জ্য বা ই-বর্জ্য নামে পরিচিত। মঙ্গলবার (১৫ জুন) জাতিসংঘের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈদ্যুতিক বর্জ্য ভেঙে ফেলা ও পুনর্ব্যবহারের কারণে পাকিস্তানিরা স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

জাতিসংঘের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈদ্যুতিক বর্জ্য ভেঙে ফেলা ও পুনর্ব্যবহারের কারণে পাকিস্তানিরা স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। নিউইয়র্ক এবং জেনেভাতে একসাথে প্রকাশিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই প্রতিবেদনটিকে বিষাক্ত হুমকির উপর একটি যুগান্তকারী গবেষণা বলা হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই প্রতিবেদন অনুসারে, পাকিস্তান গত বছর ৪৩৩ কিলোটন ই-বর্জ্য উত্পাদন করেছিল। ভারত ৩ হাজার ২৩০ কিলোটন ই-বর্জ্য উত্পাদন করেছে।

No description available.

বর্তমানে ভারত, ব্রাজিল ও চীন এই তিনটি দেশ বর্জ্য ই-বর্জ্য পুনর্ব্যবহার করার কাজ করছে। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তান এই তিনটি দেশ ই- বর্জ্য ঝুকিতে আছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বাতিল হয়ে যাওয়া বৈদ্যুতিক বর্জ্য পদার্থ কেনেন প্রধানত ভারত, চীন, ঘানা ও নাইজেরিয়ার ব্যবসায়ীরা। বৈদ্যুতিক পদার্থ তৈরিতে ব্যবহৃত ধাতু নিষ্কাশন করার জন্যই ওই সামগ্রী নিয়ে আসা হয় ভারতে।

লাহোরের বেশ কয়েকটি অঞ্চল ই-বর্জ্য পুনর্ব্যবহারে জড়িত বলে জানা গেছে। ই-বর্জ্য পুনর্ব্যবহারযোগ্য, পুনর্নির্মাণ এবং পুনর্নির্মাণের কাজটিও ফয়সালাবাদ, গুজরানওয়ালা এবং পেশোয়ারের বেশ কয়েকটি এলাকায় এই ই-বর্জ্য পুনর্ব্যবহারের কাজ করা হয় বলে জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদ মাধ্যম ডন।

ইত্তেফাক/এএইচপি

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
আরও
আরও
x