আফগানিস্তানের পরিস্থিতিতে একসময়ের বন্ধু এখন শত্রু

আফগানিস্তানের পরিস্থিতিতে একসময়ের বন্ধু এখন শত্রু
মাওলানা ফজলুর রেহমান ও ইফতিখার হুসেইন। ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটোর সেনারা আফগানিস্তান ছেড়ে চলে যাওয়ার প্রক্তিয়ার মধ্যেই বেড়েছে সহিংসতা। যার প্রভাব প্রতিবেশি রাষ্ট্র পাকিস্তানেও পড়েছে। দেশটির রাজনৈতিক দল ও নেতাদের মধ্যে আফগানিস্তানের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে দেখা দিয়েছে মতপার্থক্য। পাকিস্তানের আওয়ামি ন্যাশনাল পার্টি ও জামায়েত-ই-ইসলাম-ফজলের পাল্টাপাল্টি বিবৃতি উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ডন।

Maulana Fazl-Ur-Rehman left Minister's enclave after 13 years - SUCH TV

জানা যায়, পাকিস্তানের দক্ষিণের জেলা ওয়াজিরিস্তানে জাতীয়বাদী রাজনৈতিক দল আওয়ামি ন্যাশনাল পার্টি ও ধর্মীয় দলগুল জামায়েত-ই-ইসলাম-ফজলের মধ্যে আফগানিস্তান ইস্যু নিয়ে ব্যাপক বিরোধিতার সৃষ্টি হয়েছে।

জামায়েত-ই-ইসলাম-ফজলের ছাত্র সংগঠনের এক সম্মেলনে দলটির প্রধান মাওলানা ফজলুর রেহমান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ২০ বছরের যুদ্ধ শেষে জয়ী হলো তালেবানরা। আমরা কেনো তাদের সাধুবাদ জানাবো না? পশ্চিমারা তাদের সন্ত্রাসঈ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে, কিন্তু আমি সবসময় তাদের মুজাহিদ হিসেবে সম্বধন করেছি। ভবিষ্যতেও আমি তাই করবো।

ANP leader Iftikhar Hussain contracts coronavirus - Pakistan - Business  Recorder

তিনি আরও বলেন, আফগানিস্তান ইস্যুতে জামায়েত-ই-ইসলাম-ফজলের অবস্থান বুঝার জন্য সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি আমি। এ বিষয়ে আলোচনার করার জন্য আমি একাধিকবার বলেছি। সেইসঙ্গে আফগানিস্তানের তালেবানদের সঙ্গেও আলোচনার প্রয়োজন আছে।

এসময় আওয়ামি ন্যাশনাল পার্টিকে উদ্দেশ্য করে ফজলুর রেহমান বলেন, তারা অন্ধভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নীতি অনুসরণ করে যাচ্ছে। আমাকে তারা রাজনীতি শেখাতে পারবে না। তাই আমার থেকে কিছু আশা করাও ঠিক না।

মাওলানা ফজলুর রেহমানের এমন বক্তব্যের পর মুখ খুলেছেন আওয়ামি ন্যাশনাল পার্টির কেন্দ্রীয় মহাসচিব ইফতেখার হুসেইন। তিনি বলেন, আফগানিস্তানের শত শত পাখতুনের রক্তে রঞ্জিত ফজলুর রেহমানের দুই হাত। তার মতো বিকৃত মানুষ আমি হতে পারবো না। তিনি ও তার রাজনৈতিক দল হাক্কানি ও ওসামা বিন লাদেনকে সমর্থন করেন, যাতে করে আফগানিস্তানে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি অব্যাহত থাকে। তাছাড়া জিহাদের নামে আর্থিক দিক দিয়েও যথেষ্ঠ লাভবান হচ্ছেন তিনি।

ইত্তেফাক/টিআর

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
আরও
আরও
x