ভারতের বোমাবর্ষণে আমাদের ক্ষতি হয়নি: জইশ প্রধান

প্রকাশ : ১৬ মার্চ ২০১৯, ১৪:১২ | অনলাইন সংস্করণ

  অনলাইন ডেস্ক

জইশ-ই-মোহাম্মদের প্রধান মাসুদ আজহার। ছবি সংগৃহীত

পাকিস্তানের বালাকোটে ভারতীয় বিমান বাহিনীর বোমাবর্ষণে জইশ দলের কারও কোনো ক্ষতি হয়নি, সবাই জীবিত এবং সম্পূর্ণ সুস্থ। পাকিস্তানের আজাদ কাশ্মীরভিত্তিক সংগঠন জইশ-ই-মোহাম্মদের প্রধান মাসুদ আজহার এমনটি দাবি করেছেন। শুধু তাই নয়, নিজের লেখায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে তিরন্দাজি অথবা শুটিং-এর প্রতিযোগিতায় নামার চ্যালেঞ্জও ছুঁড়েন তিনি। 

জইশ-ই-মোহাম্মদের মুখপাত্র হিসেবে পরিচিত সাপ্তাহিক আল-কালাম পত্রিকায় মাসুদ আজহার এমনটি লিখেছেন বলে দাবি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের। জানা গেছে, এই মুখপাত্রের সাম্প্রতিক সংখ্যায় পুলওয়ামা কাণ্ড এবং তার পরবর্তী বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে লিখেছে তিনি।

বালাকোটে ভারতীয় বাহিনীর বিমান হামলায় যে আদৌ কোনো ক্ষতি হয়নি এবং ভারত যে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা তথ্য দাবি করছে, এমনটাও দাবি করেছে মাসুদ। তার কথায়, ‘আমরা সবাই বেঁচে আছি এবং ভাল আছি। আমার কিডনি এবং লিভারও খুব ভাল অবস্থায় আছে এখন।’

লেখাটিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে কটাক্ষ করেছে মাসুদ। তিনি বলেছেন, ‘আমি নরেন্দ্র মোদীর মতো নই। আমি এক জন সম্পূর্ণ সুস্থ মানুষ। আমি নরেন্দ্র মোদীকে তিরন্দাজি অথবা শুটিং প্রতিযোগিতায় নামার আহ্বান জানাচ্ছি। তা হলেই বোঝা যাবে কে বেশি ফিট।’

আরও পড়ুন : এবার লন্ডনে মসজিদের বাইরে মুসলিমের ওপর হামলা

পাশাপাশি মাসুদের দাবি, পৃথিবী জুড়ে তার স্বাস্থ্য নিয়ে যে আলোচনা হচ্ছে তা আসলে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচার। তার কথায়, ‘গত ১৭ বছর ধরে অসুস্থতার জন্য জইশের কেউ হাসপাতালে যায়নি। কখনও কোনো চিকিৎসকেরও প্রয়োজন পড়েনি।’ নিজের ভাল স্বাস্থ্যের জন্য ‘কোরআন’ নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাকেই কারণ হিসেবে দেখিয়েছে সে। তার দাবি, এই কারণে মানসিক উত্তেজনা বা ডায়াবিটিস থেকেও তিনি সম্পূর্ণ মুক্ত।

সাপ্তাহিক পত্রিকাটিতে পুলওয়ামা কাণ্ড নিয়েও নিজের পুরনো অবস্থানে অনড় থাকার কথা জানিয়েছে জইশ-ই-মোহাম্মদ। পুলওয়ামার ভয়াবহ নাশকতার নিন্দায় যখন মুখর সারা বিশ্ব, তখন জইশ প্রধান মাসুদের দাবি, ‘এই নাশকতা আসলে স্বাধীনতার যুদ্ধ। কাশ্মীরিদের হৃদয়ে আগুন জ্বেলে দিয়েছে পুলওয়ামার আত্মঘাতী যুবক আলি আহমদ দার। এই আগুন সহজে নিভবে না। তা ছড়িয়ে পড়বে সারা কাশ্মীরে।’

ইত্তেফাক/কেআই