ঢাকা মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯, ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
২৮ °সে


হাজিবিস মোকাবেলায় ২৭ হাজার সেনা, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৩

হাজিবিস মোকাবেলায় ২৭ হাজার সেনা, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৩
উদ্ধারকার্যে ব্যস্ত জাপানি কয়েকজন সেনা।ছবি: সংগৃহীত।

টাইফুন হাজিবিসে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জাপান। এ পর্যন্ত হাজিবিসের তাণ্ডবে ২৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানা গেছে। দেশটির স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, অন্তত ১৭ জন মানুষ এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধারকার্য ও ঘূর্নিঝড় পরবর্তী ত্রাণ কার্যক্রমের জন্য ২৭ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে জাপান সরকার। খবর বিবিসির।

এর আগে শনিবার দেশটির স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টার দিকে টোকিওর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শহর ইজু পিনিনসুলাতে প্রথম আঘাত হানে হাজিবিস। পরদিন সকালে এটি জাপানের মূল দ্বীপের পূর্ব উপকূল ধরে এগিয়ে যায়। এ সময় বাতাসের গতিবেগ ছিলো ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২২৫ কিলোমিটার(১৪০মাইল)।

দেশটির আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, প্রবল শক্তিশালী এই সামুদ্রিক ঝড়ের কারণে প্রচণ্ড বাতাসের পাশাপাশি সমুদ্রে উঁচু ঢেউ ও উত্তরপূর্ব থেকে পশ্চিম জাপান পর্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। টানা বৃষ্টিপাতে ভূমিধসের আশঙ্কা করা হচ্ছে। অনেকে বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে গেছেন।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে বলেন, 'সরকার ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় নিজেদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে।' একইসঙ্গে প্রয়োজনে আরও সৈন্য নামানো হবে বলে তিনি কথা দেন।

জাপানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এনএইচ জানিয়েছে, হাজিবিসের আঘাতে কমপক্ষে ৪ লাখ বাড়ি বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে অধিকাংশ দোকানপাট, যানবাহন ও কলকারখানা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ ৬৬ লাখ টাকা মূল্যের ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা নারী আটক

গত মাসেই টাইফুন ফাক্সাই জাপানের বিভিন্ন অঞ্চলে বাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধন করে। ঐ টাইফুনে ৩০ হাজারের বেশি বাড়ি ধ্বংস হয় যার অধিকাংশই এখনো মেরামত করা হয়নি।

টাইফুন হাগিবিসের তীব্রতার সঙ্গে ১৯৫৮ সালের টাইফুনের তুলনা করছেন জাপানের আবহাওয়াবিদরা। ঐ বছর টাইফুনে পূর্ব ও মধ্য জাপানে ১ হাজার দুইশরও বেশি মানুষ নিহত হয়।

ইত্তেফাক/এসএইচএম

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
১৯ নভেম্বর, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন