দেশে এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদী রাখা হবে না। প্রতিটি জমি ও জলাশয়কে উৎপাদনের আওতায় এনে খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কৃষি ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেন, কৃষিজমি, জলাশয় কিংবা অন্য যেকোনো উৎপাদনযোগ্য সম্পদ—সবকিছুকেই কার্যকরভাবে কাজে লাগানো হবে। সরকারের লক্ষ্য হলো খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করে খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জনগণের পুষ্টি চাহিদা পূরণ করা।
সোমবার (২৫ মে) দুপুরে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অব্যবহৃত পুকুরসহ জলাশয়গুলোকে উৎপাদনমুখী ব্যবস্থাপনায় আনা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে হালদা নদীর উন্নতমানের দেশীয় মাছের পোনা ওই কলেজের জলাশয়ে অবমুক্ত করা হয়েছে, যা দ্রুত বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ–এর জলাশয়ে এ কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা মাছ চাষ সম্পর্কে বাস্তব ধারণা পাবে এবং পুষ্টিকর খাদ্যের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পারবে বলে জানান মন্ত্রী।
এ সময় তিনি বলেন, কৃষক ও মৎস্যচাষিদের উৎপাদন ব্যয় কমাতে সরকার আধুনিক কৃষিযন্ত্র, হারভেস্টিং ও প্ল্যান্টিং মেশিন বিতরণ করছে। পাশাপাশি উন্মুক্ত জলাশয়ে ব্যাপকভাবে মাছের পোনা অবমুক্ত করার কর্মসূচিও চলমান রয়েছে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়াতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারি হ্যাচারিগুলো আধুনিকায়নের মাধ্যমে উন্নতমানের পোনা উৎপাদন বাড়ানো হচ্ছে, যা উন্মুক্ত জলাশয়ে ছাড়ার মাধ্যমে মাছের প্রাপ্যতা আরও বৃদ্ধি পাবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জিয়া হায়দার চৌধুরী এবং কলেজের অধ্যক্ষ মো. আবুল বাসার ভূঁঞাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

