পুশ ইন ঠেকাতে সীমান্তে বিজিবি সদস্য মোতায়েন

আপডেট : ০৭ জুন ২০২৬, ১৯:২২

ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) নারী ও শিশুসহ বিভিন্ন ব্যক্তিকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানো (পুশ ইন) ঠেকাতে দেশের ২৬ জেলার সীমান্তে বিপুল সংখ্যক বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। চারটি পালায় বিভক্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টা ধরে সীমান্ত পাহারায় নিয়োজিত রয়েছেন তারা। এ কাজে স্থানীয় বাসিন্দারাও সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে সহায়তা করছেন।

এদিকে গত বুধবার থেকে শনিবার পর্যন্ত চার দিনে বিএসএফের ২১টি পুশ ইনের চেষ্টা সফলভাবে প্রতিহত করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এসব ঘটনায় দুই শতাধিক ব্যক্তিকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করা হয়েছিল।

এমন পরিস্থিতিতে আগামী ৮ থেকে ১১ জুন ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে ৫৭তম মহাপরিচালক পর্যায়ের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। চার দিনের এই বৈঠকে সীমান্ত পরিস্থিতি, অবৈধ পুশ ইন, সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা এবং সার্বিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলেছেন, ভারতের পাঁচ রাজ্যের সঙ্গে দেশের ২৬ জেলার বিভিন্ন পয়েন্টে ৪ হাজার ১৫৬ কিলোমিটার সীমান্তে টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করতে বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়া সাদাপোশাকে বিজিবি সদস্যরা গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়েছেন।

বিজিবির সদর দপ্তর সূত্র জানায়, যেসব সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে পুশ ইনের চেষ্টা হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, সেগুলো চিহ্নিত করে ২৬টি জেলায় বিজিবির টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। এই জেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, যশোর, সাতক্ষীরা, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, ফেনী, মৌলভীবাজার, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, খাগড়াছড়ি, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, জয়পুরহাট, কুমিল্লা, সিলেট, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নীলফামারী, পঞ্চগড়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও শেরপুর।

সূত্র: প্রথম আলো

ইত্তেফাক/আরএইচ