যশোরে চৌগাছা সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে জাল সনদে চাকরি করার অভিযোগে মামলা করার নির্দেশ দিয়েছে এনটিআরসিএ।
গত ৬ অক্টোবর এনটিআরসিএ'র সহকারি পরিচালক (পমূপ্র-৩) তাজুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ও বেশিনিক/পমূপ্র/সনদ যাচাই/৭৪৪(অংশ-৩৫)/২০১৭/৬৭৯ স্মারকের এক পত্রে সংশ্লিষ্ট কলেজ অধ্যক্ষকে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্থানীয় থানায় মামলা করার নির্দেশ দেয়া হয়।এনটিআরসিএ কর্তৃপক্ষ চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে এবিষয়ে অনুলিপি প্রদান করেছে ।
আরও পড়ুন: ট্যাংকার ফুটো হয়ে কর্ণফুলীতে তেল : ৩ কোটি টাকা জরিমানা
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চৌগাছা সরকারি কলেজের কারিগরি শাখার ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক ও বিভাগীয় প্রধান তরিকুল ইসলাম রিপন ২০০৯ সালে অনুষ্ঠিত ৫ম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ দেখিয়ে ২০১১ সালে চৌগাছা ডিগ্রি কলেজে নিয়োগ নেন। ওই বছরই তিনি এমপিওভুক্ত হন। এরপর থেকেই তিনি সরকারি নিয়মে বেতন ভাতা পাচ্ছেন শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় তার রোল নম্বর ছিল ৪২৩১২৬০০ এবং রেজিঃ নং ছিল ৯০০৩১১। সম্প্রতি এনটিআরসিএ' সনদ যাচাই করে দেখে ওই শিক্ষকের সনদটি সঠিক নয়। তিনি ওই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেন নি। ওই পরীক্ষায় তিনি আবশ্যিক বিষয়ে পেয়েছিলেন ৩০ এবং ঐচ্ছিক পরীক্ষায় পান ৩৬। এরপর ওই শিক্ষকের সনদটি সঠিক নয় মন্তব্যসহ তার আবশ্যিক ও ঐচ্ছিক বিষয়ের নম্বর উল্লেখ করে বলা হয়েছে ‘উপরে বর্ণিত তালিকার ক্রমিক নং-১০এ বর্ণিত সনদধারী জাল জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছেন মর্মে দালিলিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে বিধায় উক্ত জাল ও ভূয়া সনদধারী ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পক্ষ হতে থানায় মামলা দায়ের পূর্বক অত্র অফিসকে অবহিত করণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।’
চৌগাছা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম কবির রবিবার এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এবিষয়ে থানায় মামলা করেননি। তবে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।
অন্যদিকে প্রভাষক তরিকুল ইসলামের ব্যবহৃত সেলফোন দুটিতে বারবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। সেকারণে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ইত্তেফাক/এমআরএম
