বাংলা বানানের নিয়ম-কানুন

আপডেট : ৩১ অক্টোবর ২০১৯, ০০:১৯

মো. কামরুল হাসান, সহকারী শিক্ষক

ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল জাহানাবাদ সেনানিবাস, খুলনা।

একজন বক্তা/পাঠক তিনিই নাকি সুবক্তা/সুপাঠক যিনি জানেন, তাকে  কোথায়, কতটুকু বা কীভাবে থামতে হয়/হবে। যিনি জানেন না, তাকে  কোথায়, কতটুকু বা কীভাবে থামতে হয়/হবে, তার জন্য প্রয়োজন থামা-চিহ্ন।

এই থামাকেই বলা হয় বিরাম। আর না থামাকেই বলা হয় অবিরাম। যেহেতু কোথায় থামতে হয়/ হবে তা সবার পক্ষে জানা থাকেনা তাই লেখার মধ্যে বিরামচিহ্নের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য।

বাক্যের অর্থ সুস্পষ্টভাবে বোঝাবার জন্য বাক্যের মধ্যে বা বাক্যের শেষে কিংবা বাক্যের আবেগ (আনন্দ, বেদনা, দুঃখ), জিজ্ঞাসা ইত্যাদি প্রকাশের উদ্দেশ্যে বাক্য গঠনে  যেভাবে বিরতি দিতে হয় এবং লেখার সময় বাক্যের মধ্যে তা দেখানোর জন্য যেসব সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, সেগুলোই বিরামচিহ্ন বা যতিচিহ্ন বা ছেদচিহ্ন।

 

বাংলা ভাষায় বিরামচিহ্ন বা যতি চিহ্ন বা ছেদচিহ্ন

বাংলা ভাষায় শুধু দাঁড়ি চিহ্ন ছাড়া যত রকমের বিরামচিহ্ন আছে সবই ইংরেজি ভাষার অভিজ্ঞতার সূত্রে আমরা জেনেছি এবং  সেখান  থেকে ধার করেছি। একদিনে রাতারাতি সব ধার করিনি, ধীরে ধীরে যখন যা দরকার পড়েছে নিয়ে এসেছি।

বর্তমানে বাংলা ভাষাতে ব্যবহূত কতিপয় বিরাম চিহ্ন :

১. কমা (,)

২. সেমিকোলন (;)

৩. দাঁড়ি (।)

৪. উদ্ধৃতি (‘ ’/“ ”)

৫. প্রশ্ন/জিজ্ঞাসা (?)

৬. বিস্ময়/আশ্চর্য (!)

৭. কোলন (:)

৮. কোলন-ড্যাস (:-)

৯. ড্যাস  (-)

১০. হাইফেন (-)

১১. ঊর্ধ্বকমা/লোপ (’)

১২. বন্ধনী ([ ], { }, ( ))

১৩. বিকল্প (/)

১৪. সমান (=) 

১৫. একবিন্দু (.)

১৬. ত্রিবিন্দু (...)

১৭. ধাতু-দ্যোতক (ক্স)

১৮. পরবর্তীরূপবোধক (<)

১৯. পূর্ববর্তীরূপবোধক (>) ইত্যাদি।