দুর্নীতি যেখানে, সেখানেই আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি —গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী

আপডেট : ৩১ অক্টোবর ২০১৯, ০০:০৬

গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, দুর্নীতির ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর সুস্পষ্ট নির্দেশনা ‘জিরো টলারেন্স’। সেটাকে আমরা ধারণ করে কাজ করে যাচ্ছি। দুর্নীতি যেখানে, সেখানেই আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। দুর্নীতিতে জড়িত কারো পাশে আমি থাকব না। দুর্নীতি যিনি করবেন তিনি আমার টিমে থাকবেন না। আত্মীয়, রাজনৈতিক পরিচয়, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এর কোনোটিই দুর্নীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত কাউকে রক্ষা করতে পারবে না।

গতকাল বুধবার সেগুনবাগিচায় গণপূর্ত অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ব বসতি দিবস ২০১৯ উপলক্ষ্যে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সেমিনারে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার, গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. সাহাদাত হোসেন, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. ইয়াকুব আলী পাটওয়ারী, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ড. সুলতান আহমেদ, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. রাশিদুল ইসলাম, স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রধান স্থপতি আ স ম আমিনুর রহমান, হাউজিং এন্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মোহাম্মদ শামীম আখতার, নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক ড. খুরশীদ জাবিন হোসেন তৌফিক প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

গণপূর্ত মন্ত্রী বলেন, বর্জ্য দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। এখন থেকে যেখানে শিল্প হবে সেখানে ইটিপি পদ্ধতি, যেখানে আবাসন হবে সেখানে এসটিপি পদ্ধতিতে বর্জ্যকে প্রক্রিয়াজাত করে নিঃশেষ করা হবে। তা না হলে আমাদের আগামী প্রজন্ম ধ্বংস হয়ে যাবে। পূর্বাচলে প্রতিটি বাড়ির জন্য আমরা বর্জ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের নির্দেশনা রাখব। সমন্বিত বা ব্যক্তিগতভাবে এই ব্যবস্থাপনা করা হবে।

ক্যাসিনো কেলেঙ্কারির মতো কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি আমাদের উন্নয়নকে ব্যাহত করে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এদেশে অনৈতিকতাপূর্ণ কোনো বিষয়কে সরকার অনুমোদন করবে না। একটিও অনৈতিকতাপূর্ণ কর্মকাণ্ডের লাইসেন্স শেখ হাসিনা সরকার দেয়নি। আমরা চাই না, স্পোর্টস ক্লাবের ভেতরে ক্যাসিনো বা মাদকের ব্যবসা চলবে, অনৈতিকতার বিস্তার ঘটবে।

মন্ত্রী বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুত্ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পে আমরা মাত্র তেরো মাসে বিশতলা ভবন করেছি। এই কৃতিত্ব দেশে কেবল গণপূর্ত অধিদপ্তর দেখাতে সক্ষম হয়েছে। আমাদের পূর্বাচল প্রকল্প পরিকল্পিত ও পরিবেশবান্ধব বিধায় এর জন্য বিশ্ব পরিমন্ডলে আমরা পুরস্কার অর্জন করেছি। দেশের বড়ো বড়ো অবকাঠামো উন্নয়ন আমাদের হাতে হয়েছে। কিন্তু কিছু ঘটনা আমাদের অর্জনকে কলঙ্কিত করে তোলে। এ কারণে আমাদের সকলকে সচেতন হতে হবে।