শরণখোলা প্রাণিসম্পদ অফিসে লোকবল সংকট

আপডেট : ০১ নভেম্বর ২০১৯, ২১:১৮

গবাদিপশুর কৃত্রিম প্রজনন কার্যক্রম বন্ধ

শরণখোলা (বাগেরহাট) সংবাদদাতা

গত তিন বছর ধরে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাসহ নয় জনের পদ শূন্য থাকায় শরণখোলায় প্রাণিসম্পদ অফিসের স্বাভাবিক কাজকর্ম মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। মানুষ গবাদিপশু নিয়ে এসে প্রয়োজনীয় চিকিত্সা সেবা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন। বন্ধ রয়েছে গাভির কৃত্রিম প্রজনন কার্যক্রম।

উপজেলার খোন্তাকাটা গ্রামের কৃষক সাইদুর রহমান মুন্সি, আ. হক হাওলাদার অভিযোগ করেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে চিকিত্সার জন্য তাদের গরু ছাগল নিয়ে গেলে সেখানে লোকজন পাওয়া যায় না। বাধ্য হয়ে তাদের গ্রামের হাতুড়ে চিকিত্সকের কাছে যেতে হচ্ছে। সেখানে ভুল চিকিত্সায় অনেকক্ষেত্রে গরু ছাগল মারাও যায়।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মো. আলাউদ্দিন মাসুদ প্রাণিসম্পদ অফিসে নয় জনের পদ শূন্য থাকার কথা স্বীকার করে বলেন, এ উপজেলায় ১৬ হাজার গরু, ৬ হাজার ছাগল, প্রায় ৩ লাখ হাঁস ও মুরগি রয়েছে। এছাড়া তালিকাভুক্ত রয়েছে ৪৪টি গরুর খামার, ১২০টি হাঁস ও মুরগির খামার। প্রয়োজনীয় লোকবল না থাকায় তারা গবাদিপশুসহ অন্য প্রাণীর কাঙ্ক্ষিত চিকিত্সাসেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন।

শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরদার মোস্তাফা শাহীন বলেন, সংশ্লিষ্ট দপ্তরে খোঁজ নিয়ে মন্ত্রণালয়ে জনবল নিয়োগের জন্য আবেদন করা হবে।

বাগেরহাটের জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ লুত্ফর রহমান বলেন, সারাদেশেই প্রাণিসম্পদ দপ্তরে লোকবলের অভাব রয়েছে। কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়োগ হলে শূন্য পদ পূরণ হবে, তবে বিশেষ ব্যবস্থায় প্রকল্পের মাধ্যমে শিগগিরই শরণখোলায় দুই/একজনের নিয়োগের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।