কলকাতার ইডেন গার্ডেন ক্রিকেট মঞ্চে বাংলাদেশ-ভারত টেস্ট দেখতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। থাকবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। সেখানে নানা বিষয়ে আলোচনা হবে। তিস্তার মতো সমস্যা সমাধান হবে বলে আশা করছি। গতকাল শুক্রবার কলকাতার মোহরকুঞ্জে নবম বাংলাদেশ বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর এক প্রশ্নের জবাবে একথা বলেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।
তিনি বলেন, আমরা চাই রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে ফিরে যাক। তারা নিশ্চিত প্রত্যাবাসন চাইছে। ভারতের সঙ্গে মিয়ানমারের বন্ধুত্বের সম্পর্ক। ওরা বোঝাক। যাতে মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়। সু-বন্দোবস্ত করে।
বইমেলার উদ্বোধনে কবি শঙ্খ ঘোষ বলেন, গত ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে গিয়েছিলাম। এত মানুষের আবেগ। তাই এখানে চলে এলাম। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য পেশ করেন কলকাতায় বাংলাদেশের উপ-রাষ্ট্রদূত তৌফিক হাসান, অধ্যাপক সামসুজ্জামান খান। ছিলেন ভাষাবিদ পবিত্র সরকার, কলকাতায় বাংলাদেশের হেড অফ চ্যান্সেরি জামাল হোসেন প্রমুখ। মেলায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর লেখা ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ এবং ভারত-বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক বিনিময় কেন্দ্রের সাহিত্য পত্রিকা ‘বিনিময়’-এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলকাতা পুরসভার মেয়র দেবাশিস কুমার এবং পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ডের সম্পাদক সুধাংশু দে। শুভেচ্ছা বক্তব্য ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সভাপতি ফরিদ আহমেদ। উদ্বোধনী পর্ব শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে অংশগ্রহণ করেন বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের বিশিষ্ট শিল্পীরা। বই মেলায় ৬০টি স্টলে ৮০টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। মেলা চলবে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত।
