বর্তমান সময়ে সামাজিক মাধ্যমগুলোতে গুজব একটি বড়ো সমস্যা। বিশ্বজুড়ে এই সমস্যা মোকাবিলায় সামাজিক মাধ্যমগুলো থেকে শুরু করে বিভিন্ন রাষ্ট্র বেশ গুরুত্বের সঙ্গে নানামুখি পরিকল্পনা ও পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে। বাংলাদেশও এই সমস্যার বাইরে না। সর্বশেষ উদাহরণ ভোলার বোরহানউদ্দিনে ঘটে যাওয়া সহিংসতা। পদ্মাসেতুর জন্য মাথা কাটা গুজবের আতঙ্কের পরে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ নেওয়ায় বেশ কিছুদিন কোনো ধরনের গুজব ডালপালা বিস্তার করতে না পারলেও আবার গুজব ও ভুল তথ্যের প্রচার দেখা যাচ্ছে সামাজিক মাধ্যমে। এসব নিয়ন্ত্রণে সরকারের নানা দায়িত্বশীল সংস্থা কাজ করে যাচ্ছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ। এছাড়া জনসচেতনতা সৃষ্টিতে গুজব বিষয়ে নানা প্রচার-প্রকাশনাও চলছে জোরেশোরে, বিষয়গুলো ইতিবাচক। আমরা মনে করি, কমিউনিটি পুলিশিংয়ের প্রধান কাজ হবে—মিথ্যা, গুজব বা ভুল তথ্যে যাতে জনগণ বিভ্রান্ত না হয়। একটি বিষয় লক্ষণীয় যে, গুজব বা ভুল তথ্যের ফলে ভুক্তভোগী হয় সাধারণ মানুষ। গুজব ছড়িয়ে কারা তাদের কোন উদ্দেশ্য হাসিল করতে চায়, তা বোঝার আগেই ঘটনার শিকার হতে হয় গুজবের ফাঁদে পা দেওয়া মানুষকে। চোখ কান খোলা রেখে এসব গুজব মোকাবেলা করতে হবে আমাদের। দায়িত্বশীল বিভিন্ন কর্তৃপক্ষসহ এই বিষয়ে সবাই সাবধান হলে অবস্থার পরিবর্তন হবে বলে বিশ্বাস করি।
অমিত বণিক
উত্তরা, ঢাকা
