মধ্য জানুয়ারির পর ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরশনে ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ডিসেম্বরের তপশিল ঘোষণা করে জানুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহে একই দিনে উভয় সিটিতে ভোটপর্ব অনুষ্ঠিত হবে। রবিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সভাসূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বৈঠক শেষে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর বলেন, আগামী ১৫ নভেম্বর ঢাকা উত্তর ও ১৮ নভেম্বর ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন উপযোগী হবে। এরপর যে কোনো সময় তপশিল হবে। ডিসেম্বরে জেএসসি, পিইসি ও বিদ্যালয়গুলোর বার্ষিক পরীক্ষা এবং ফেব্রুয়ারি ও পরে এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা রয়েছে। এ বিষয় বিবেচনা করে মধ্য জানুয়ারির পর ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব বলেন, ‘দুই সিটির নির্বাচন পুরোটাই ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) অনুষ্ঠিত হবে। বিদ্যমান ভোটার তালিকার ভিত্তিতে ভোট হবে। এক্ষেত্রে আগামী জানুয়ারিতে নতুন যে খসড়া ও চূড়ান্ত তালিকা হবে সেখানে অন্তর্ভুক্তরা এই নির্বাচনে ভোট দিতে পারবে না। এ বিষয়ে আইনি কোনো সমস্যা হবে না দাবি করে ইসি সচিব বলেন, জানুয়ারির ২ তারিখ যেহেতু খসড়া তালিকা হবে এবং ৩১ জানুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগেই ভোট হবে, তাই আইনি কোনো সমস্যা সৃষ্টি হবে বলে আমরা মনে করি না।
আলমগীর জানান, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন উপযোগী হবে ফেব্রুয়ারি মাসে। এ কারণে ঐ সিটির নির্বাচনের বিষয়ে কমিশন এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। নতুন ভোটার তালিকা দিয়ে আমরা চট্টগ্রাম সিটির নির্বাচন করব। সর্বশেষ ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল তিন সিটিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
