দেশের শীর্ষস্থানীয় আইটি ও তথ্যপ্রযুক্তি বিনিয়োগকারী কোম্পানি ইজেনারেশন লিমিটেড এবং মাইক্রোসফট যৌথভাবে ‘ডিজিটাল ফাস্ট-মর্ডান ওয়ার্কপ্লেস : এনগেজড কাস্টোমারস, এমপাওয়ার্ড এমপ্লয়িজ অ্যান্ড অপটিমাইজড অপারেশনস’ শীর্ষক গোলটেবিল আয়োজন করেছে। ডাটা, শক্তিশালী ম্যাট্রিক্স এবং অ্যানালাইটিক্যাল টুলস ব্যবহার করে ওয়ার্কপ্লেস ইনসাইট তৈরি করা, কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি, কর্মীদের সম্পৃক্ততা বাড়ানো এবং ব্যবসায় প্রক্রিয়ার প্রবৃদ্ধি বিষয়ে আলোচনা ও কৌশল নির্ধারণের জন্য রবিবার রাজধানীর দ্য ওয়েস্টিন ঢাকায় এই গোলটেবিলের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন খাতের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা (সিটিও) এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের প্রধানরা অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইজেনারেশনের চেয়ারম্যান শামীম আহসান এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন মাইক্রোসফট বাংলাদেশ, ভুটান, ব্রুনাই দারুসসালাম ও নেপালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফিফ মোহাম্মদ আলী। এ সময় ডাচ্-বাংলা ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান সায়েম আহমেদ, আইপিডিসি ফিন্যান্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মমিনুল ইসলাম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। গোলটেবিলে অন্যান্যের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সেলিম আহমেদ খান, ইজেনারেশনের নির্বাহী ভাইস চেয়ারম্যান এস এম আশরাফুল ইসলাম; তাহের আহমেদ চৌধুরী, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড; ওমর ফারুক খন্দকার, প্রধান তথ্যপ্রযুক্তি কর্মকর্তা, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড; মো. মইনুল ইসলাম, প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা, লংকা বাংলা সিকিউরিটিস; শ্যামল বি দাশ, প্রধান ডিজিটাল কর্মকর্তা, ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড প্রমুখ।
ইজেনারেশনের চেয়ারম্যান শামীম আহসান বলেন, সকল বৃহত্ ডিজিটাল ইকোনমিতে ডাটাকে নতুন চালিকাশক্তি হিসেবে ধরা হয়। আগামীতে বাংলাদেশের সকল পাবলিক এবং প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানকে পরিচালনার জন্য ডাটাকে ইনসাইট হিসেবে প্রস্তুত করা আবশ্যক হয়ে পড়বে। প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রতিদিনের কার্যক্রমে বিশাল পরিমাণ ডাটা তৈরি হয়, যা উত্পাদনশীলতায় প্রভাব, জনবলের কার্যকারিতা এবং কর্মীদের সম্পৃক্ততায় ব্যবহার করা যাবে। বিশ্বব্যাপী যেসব কোম্পানি এর গুরুত্ব বুঝতে পেরেছে তারা অধিক লাভের জন্য সেটি বাস্তবায়ন করেছে। এখন সময় বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোকেও ডাটার যথাযথ ব্যবহার করা এবং ইনসাইটের মাধ্যমে তাদের টিমের কাজের ধরনে নতুন রূপান্তর করা।
মাইক্রোসফট বাংলাদেশ, ভুটান, ব্রুনাই দারুসসালাম ও নেপালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফিফ মোহাম্মদ আলী বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের এ যুগে, সকল সিএক্সওদের কাছেই নিরাপত্তা সবচেয়ে বড়ো বিষয়। সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানগুলো ক্লাউড সেবা বাস্তবায়ন শুরু করেছে। এটা শুধু কার্যকারিতা এবং খরচ কমানোর জন্য নয়, পাশাপাশি ব্যবসায়ের কৌশলগত লক্ষ্য অর্জন করা এবং বিদ্যমান সল্যুউশনের সঙ্গে নিরাপত্তা ও প্রাইভেসির মানও বাড়ানো।
