দ্বিতীয় ইনিংসেও জ্বলে উঠলেন পেসার ইবাদত হোসেন। আলো ছড়ালেন দুই স্পিনার নাসুম আহমেদ ও শাহানুর রহমান। তাদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে বরিশালকে ইনিংস ব্যবধানে হারাল সিলেট।
দ্বিতীয় স্তরের আরেক ম্যাচে প্রথম ইনিংসে একশর আগে অলআউট হয়ে ফলো-অনে পড়ার পর থেকেই বড়ো হার চোখ রাঙাচ্ছিল চট্টগ্রামকে। দ্বিতীয় ইনিংসে লড়াই করলেন পিনাক ঘোষ ও অধিনায়ক ইয়াসির আলি। তবে ইনিংস পরাজয় এড়াতে যথেষ্ট হলো না সেই রান। পেসার শহিদুল ইসলামের দারুণ বোলিংয়ে জাতীয় লিগের দ্বিতীয় স্তরের ম্যাচে ইনিংস ব্যবধানে জিতল ঢাকা মেট্রো।
জাতীয় ক্রিকেট লিগের চতুর্থ রাউন্ডে দ্বিতীয় স্তরের ম্যাচে সোমবার ইনিংস ও ৩২ রানে জিতেছে অলক কাপালীর দল। সিলেটের এটি দ্বিতীয় জয়।
প্রথম ইনিংসে ১৬২ রানে গুটিয়ে যাওয়া বরিশাল দ্বিতীয় ইনিংসে ১২৮ রানেই শেষ হয়। নিজেদের একমাত্র ইনিংসে ৩২২ রান করেছিল সিলেট। ইনিংস পরাজয় এড়াতে ১৪৮ রান করতে হতো বরিশালের, হাতে ছিল ৯ উইকেট।
কক্সবাজারের শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এক উইকেটে ১২ রান নিয়ে তৃতীয় দিন শুরু করা বরিশাল দিনের প্রথম বলেই উইকেট হারায়, আশরাফুলকে এলবিডব্লিউ করেন ইবাদত।
৭৫ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে বরিশাল। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হওয়ার আগে সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন সোহাগ গাজী। ৪.১ ওভারে ৫ রান খরচায় শেষ চার উইকেট নিয়ে দ্বিতীয় সেশনেই তাদেরকে গুটিয়ে দেন নাসুম।
জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ম্যাচের তৃতীয় দিনে ইনিংস ও ৬৪ রানে জিতেছে মেট্রো। দ্বিতীয় ইনিংসে ৩ উইকেটে ৯৬ রান নিয়ে দিন শুরু করা চট্টগ্রাম গুটিয়ে যায় ২৪৮ রানে।
আগের দিন ৫৫ রানে অপরাজিত থাকা পিনাককে দিনের শুরুতেই তুলে নেন শরিফুল্লাহ। ষষ্ঠ উইকেটে নাঈম হাসানকে নিয়ে লড়াই চালিয়ে যান ইয়াসির। ৬৬ রানের জুটি ভাঙে ইয়াসিরের বিদায়ে। ৬৬ রান করে শহিদুলের বলে উইকেটের পেছনে ধরা পড়েন চট্টগ্রামের অধিনায়ক। এরপর আর বেশি দূর এগোয়নি স্বাগতিকদের ইনিংস। মেট্রোর একমাত্র ইনিংসে ১৭৮ রানের খেলা ওপেনার সাদমান ইসলাম হন ম্যাচ সেরা।-বিডি নিউজ
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
ঢাকা মেট্রো—চট্টগ্রাম
ঢাকা মেট্রো-১ম ইনিংস: ১০৮.৪ ওভারে ৪০৩/১০
চট্টগ্রাম-১ম ইনিংস: ৩০.৫ ওভারে ৯১/১০
এবং ২য় ইনিংস: ৮০.২ ওভারে ২৪৮ (পিনাক ৫৭, ইয়াসির ৬৬, তাসামুল ৩৯; শহিদুল ৪/২৯, তাসকিন ২/৪৯)
ফল: ঢাকা মেট্রো ইনিংস ও ৬৪ রানে জয়ী
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: সাদমান ইসলাম
বরিশাল—সিলেট
বরিশাল-১ম ইনিংস: ৫৭.১ ওভারে ১৬২/১০
এবং ২য় ইনিংস: ৪৫.১ ওভারে ১২৮ (নুরুজ্জামান ২৫, গাজী ৩৭; নাসুম ৪/৫, এবাদত ৩/২৮, শাহানুর ২/২৫)
সিলেট-১ম ইনিংস: ১১৩.১ ওভারে ৩২২/১০
ফল: সিলেট ইনিংস ও ৩২ রানে জয়ী। ম্যান অব দ্য ম্যাচ: ইবাদত হোসেন।
