এই ম্যাচেই প্রথম বাংলাদেশি বোলার হিসেবে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৬০০তম উইকেট তুলে নিয়েছেন। ম্যাচটাকে ক্যারিয়ারে স্মরণীয় করে রাখতেই চেষ্টা করছেন আব্দুর রাজ্জাক। প্রথম ইনিংসে ৭ উইকেট নেওয়ার পর গতকাল দ্বিতীয় ইনিংসেও নিয়েছেন ৫ উইকেট।
রাজ্জাকের দুরন্ত এই ম্যাচে জয় দেখতে পাচ্ছে খুলনা। রংপুরের বিপক্ষে জয়ের জন্য তাদের আর ৭৫ রান দরকার; হাতে আছে ৫ উইকেট। প্রথম স্তরের আরেক ম্যাচে ঢাকা বিভাগের প্রথম ইনিংসের চেয়ে দুই ইনিংস মিলিয়ে পিছিয়ে আছে রাজশাহী। ইনিংস পরাজয় এড়াতে ১৬৮ রান দরকার আরো; হাতে আছে ৭ উইকেট।
মিরপুরে প্রথম ইনিংসে ২২৪ রানে অলআউট হয়েছিল রংপুর। রাজ্জাক ৬৯ রানে নিয়েছিলেন ৭ উইকেট। জবাবে খুলনা অলআউট হওয়ার আগে ২৩৩ রান করে। মেহেদী হাসান ৮ নম্বরে নেমে সেঞ্চুরি করেছিলেন। রবিউল হক ৫ উইকেট নেন। রংপুর দ্বিতীয় ইনিংসে ২১১ রান করে অলআউট হয়ে যায়। ২০৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে গতকাল দিনের খেলা শেষ হওয়া পর্যন্ত ৫ উইকেটে ১৩০ রান করেছে খুলনা। ৩০ রান করে উইকেটে আছেন মেহেদী ও জিয়াউর।
কক্সবাজারে প্রথম ইনিংসে রাজশাহী করে ২৩০ রান। জবাবে ৭ উইকেটে ৪৭৫ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে ঢাকা বিভাগ। ১০৪ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর টানা তিন ব্যাটসম্যান সেঞ্চুরি করেন—তাইবুর, শুভাগত ও নাদিফ। এরপর সুমন খান ৫০ রানের ইনিংস খেলেন। দ্বিতীয় ইনিংসেও খুব সুবিধা করতে পারেনি রাজশাহী। ৭৭ রান তুলতে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলেছে তারা।
সংক্ষিপ্ত স্কোর :
রংপুর-খুলনা
রংপুর-১ম ইনিংস : ৮১.১ ওভারে ২২৪/১০
এবং ২য় ইনিংস : ৭৬.৫ ওভারে ২১১ (নাসির ৭৬, আরিফুল ৫৮; রাজ্জাক ৫/৭১)।
খুলনা ১ম ইনিংস : ৭১ ওভারে ২৩৩/১০
এবং ২য় ইনিংস : ৩৮ ওভারে ১৩০/৫ (এনামুল ৩৪, মেহেদি ৩০*, জিয়াউর ৩০*; সোহরাওয়ার্দী ৪/২৭)।
রাজশাহী-ঢাকা
রাজশাহী-১ম ইনিংস : ৮৬.১ ওভারে ২৩০/১০
এবং ২য় ইনিংস : ৪২ ওভারে ৭৭/৩ (জুনায়েদ ৪১*)
ঢাকা বিভাগ-১ম ইনিংস : ১৩৬.১ ওভারে ৪০৭৫/৭ ডিক্লেয়ার (শুভাগত ১০৪, তাইবুর ১০২, নাদিফ ১০১*, সুমন ৫০*; সানজামুল ৪/১৬২, ফরহাদ ২/৪১)।
