গাবতলীতে পুলিশের মারপিটে মনিরা আক্তার কেমি (১৮) নামে এক নববধূ আহত হয়েছেন। কেমির দাবি পারিবারিকভাবে ধর্ষণ চেষ্টার মামলা আপস করে তাকে ঐ যুবকের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গাবতলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রিপন মিয়া। গত রবিবার এসআই কেমির স্বামীর বাড়ি গিয়ে প্রথমে তার সঙ্গে বাগিবতণ্ডা এবং পরে বেদম মারপিট করেন। ঐ রাতেই তাকে বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে মারপিটের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন এসআই রিপন মিয়া। কেমি গাবতলী উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের খুপি গ্রামের জাহিদুল ইসলামের মেয়ে এবং একই গ্রামের ইমরান হোসেন সুইটের স্ত্রী।
কেমি জানান, গত ১৪ সেপ্টেম্বর সুইট কলেজ থেকে ফেরার পথে তাকে উত্ত্যক্ত করায় তার (কেমি) মা বাদী হয়ে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন। মামলার পরের দিন পুলিশ সুইটকে গ্রেফতার করে। পরবর্তী সময়ে গ্রামের লোকজন বিষয়টি আপস-মীমাংসার উদ্যোগ নেয় এবং উভয় পরিবার বিয়ের সিদ্ধান্তে মামলা আপস করে। আপসনামা আদালতে দাখিল করা হলে জামিনে মুক্ত হন সুইট। গত ১ নভেম্বর পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে হয়। কেমি আরো বলেন, রবিবার রাতে সাদা পোশাকে তার স্বামীর বাড়িতে যান এসআই রিপনসহ কয়েক জন পুলিশ সদস্য। তারা প্রথমে সুইটের খোঁজ করে। এ সময় তিনি কারণ জানতে চাইলে রিপন ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। তাকে না জানিয়ে কেন মামলা আপস করা হলো জানতে চান তিনি। সেই সঙ্গে অকথ্য ভাষায় গালাগালি শুরু করেন। এর প্রতিবাদ করলে তাকে বেদম মারপিট করা হয়।
