শেভরন বাংলাদেশের ৬০০ শ্রমিককে দেবে ৬০৪ কোটি টাকা

আপডেট : ০৫ নভেম্বর ২০১৯, ০০:১৩

চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিকদেরকে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক তেল-গ্যাস উত্তোলনকারী বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান শেভরনকে তাদের লভ্যাংশ থেকে ৬০৪ কোটি টাকা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। সমভাবে ঐ অর্থ বণ্টন করতে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে জারিকৃত রিট মামলার রুলের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে বিচারপতি তারিক-উল হাকিম ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল সোমবার এ আদেশ দেন।

রায়ের পর রিটকারীদের কৌঁসুলি ব্যারিস্টার রেজা-ই রাব্বী খোন্দকার সাংবাদিকদের জানান, চুক্তি অনুযায়ী কর্মচারীদের লভ্যাংশের ৭২ মিলিয়ন ডলার অর্থাত্ ৬০২ কোটি টাকা সমভাবে বণ্টন করার জন্য শেভরনকে নির্দেশ দিয়েছে উচ্চ আদালত। ২০০৬ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত লভ্যাংশের ৫ ভাগ অর্থ কর্মচারীরা সমভাবে পাবে। তিনি বলেন, শেভরন অর্থ দিতে রাজি হওয়ায় আমরা মামলা তুলে নেওয়ার বিষয়টি আদালতকে জানিয়েছি। এরপরই আদালত এ আদেশ দেয়।

২০০৬ সালের শ্রম আইন অনুযায়ী কোম্পানির লভ্যাংশের পাঁচ শতাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিকদের মধ্যে বণ্টন করতে হবে। কিন্তু শেভরন ২০০৬ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত কোনো লভ্যাংশ প্রদান করেনি। এতে সংক্ষুব্ধ হয়ে শেভরনের ঢাকা ও সিলেট কার্যালয়ে কর্মরত ৬০০ শ্রমিক হাইকোর্টে তিনটি রিট করেন। ঐ রিটের ওপর রুল জারি করে আদালত। ঐ রুলের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে গতকাল এ আদেশ দেয়। আদালতে রিটকারীর পক্ষে ব্যারিস্টার ওমর সাদাত ও ব্যারিস্টার রেজা-ই রাব্বী এবং শেভরনের পক্ষে ড. নাইম আহমেদ শুনানি করেন।

ব্যারিস্টার ওমর সাদাত বলেন, এরই মধ্যে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে শেভরনের একটি সমঝোতা চুক্তি হয়েছে। শেভরন টাকা দিতে রাজি হয়েছে।